বুলাওয়ের কুইন্স ক্রীড়া ক্লাব মাঠে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ গড়ে তোলে ১৮৬ রানের বড় সংগ্রহ। উদ্বোধনী জুটিতে সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম যোগ করেন ১২০ রান। প্রথম ছয় ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে আসে ৫৪ রান। পরে মাঝের ধসে ২১ রানের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারালেও শেষ দিকে ইয়াসির আলী চৌধুরী ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের অবিচ্ছিন্ন ৪৫ রানের জুটিতে বড় সংগ্রহ পায় সফরকারীরা। শেষ ওভারে টানা চারটি ছক্কায় ১০ বলে ৩১ রান করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।
জয়ের পর দলের একজন সাইফউদ্দিন বলেন, 'গত কয়েক মাসে নিজেদের মাটিতে আমরা খুব ভালো ক্রিকেট খেলেছি। তবে দেশের বাইরে কন্ডিশনের কারণে আমাদের ভুগতে হয়েছে। কারণ সিরিজ শুরুর মাত্র পাঁচ বা সাত দিন আগে এসে আমরা অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছি। তাই এখানকার কন্ডিশন ও উইকেটের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া আমাদের জন্য কঠিন ছিল। এমন অনেক বিষয়ই থাকে, তবে ইনশাল্লাহ আশা করি আমরা টি-টোয়েন্টি সিরিজটি জিতব।'
বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের জবাবে শুরু থেকেই চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো স্বাগতিকরা মাঝেমধ্যে প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ১৫২ রানের বেশি তুলতে পারেনি। ফলে ৩৪ রানের জয় নিয়ে লড়াইয়ে সমতা ফেরায় বাংলাদেশ।
সাইফউদ্দিন আরো বলেন, 'এটা তো একটা গোপন বিষয় (কৌশল)। কারণ এখনো একটি ম্যাচ বাকি আছে। গত কয়েক দিন ধরে আমাদের ব্যাটার ও বোলাররা এই কন্ডিশন, আবহাওয়া এবং উইকেট কীভাবে সামলানো যায়, তা নিয়ে অনেক আলোচনা করেছে। আমাদের দলীয় বৈঠক এবং একসঙ্গে ডিনারেও (নৈশভোজ) এই বিষয়ে অনেক কথা হয়েছে। মূলত সে কারণেই আজকের ম্যাচে আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পেরেছি।'
টেস্ট ও ওয়ানডের সংস্করণে হতাশার পর এবার সংক্ষিপ্ত সংস্করণের দ্বিপক্ষীয় সিরিজ জিতে সফর শেষ করার সুযোগ বাংলাদেশের সামনে। দ্বিতীয় ম্যাচের মতো শেষ ম্যাচেও জিম্বাবুয়ের বাজে ফিল্ডিংয়ের প্রত্যাশায় সাইফউদ্দিন।
তিনি বলেন, 'শুরুতে জিম্বাবুয়ের ক্রিকেটাররা কিছু ক্যাচ মিস করেছিল, যা আমাদের জন্য ভালো হয়েছে। ইনশাল্লাহ আগামী রোববারের ম্যাচেও যেন এমন কিছু ঘটে (হাসি)। কারণ আমরা সিরিজটি জিততে চাই। যেহেতু আমরা টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজে হেরেছি, তাই এই টি-টোয়েন্টি সিরিজটি আমার এবং দলের সবার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যেকোনো মূল্যে সিরিজটি জিততে চাই।'