ইউল্যাব ক্রিকেট গ্রাউন্ডে রান তাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই জাকির হাসানের উইকেট হারায় লেপার্ডস। পরের ওভারে আউট হয়েছেন সৈকত আলীও। জাওয়াদ আবরারও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি। মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে লেপার্ডস। দলকে টেনে তুলতে পারেননি অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনও। তিনি আউট হয়েছেন মাত্র ৯ রানে। পরবর্তীতে ইফতেখার ও মুমিনুল হক মিলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন।
তাদের দুজনের জুটি ভাঙে ৩০ বলে ৩০ রান করা মুমিনুলের বিদায়ে। বাকিদের আসা-যাওয়ার মাঝেও দারুণ ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন ইফতেখার। তাকে ফেরান আমিনুল ইসলাম বিপ্লব। ৮২ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলে আউট হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। শেষের দিকে ৫৭ রান করেছেন মইন। লেপার্ডসকে ২২০ রানে অল আউট করতে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদুল ও সানজামুল। দুইটি উইকেট পেয়েছেন আমিনুল।
এর আগে ব্যাটিং করে ৯ উইকেটে ২৫১ রান তোলে বসুন্ধরা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১১২ বলে ৯৫ রানের ইনিংস খেলেছেন সাইফ। চলতি আসরে দুইটি সেঞ্চুরি মিস করলেন ডানহাতি এই ওপেনার। এ ছাড়া সোহান ৫৮, আলামিন জুনিয়র ৩৭ রান করেছেন। লেপার্ডসের হয়ে ২৫ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন ইফতেখার। এ ছাড়া আলাউদ্দিন বাবু দুইটি উইকেট নিয়েছেন।
সবুজের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে জিতল গুলশান
বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে আগে ব্যাটিং করে ২০১ রানে অল আউট হয়েছে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯০ রানের ইনিংস খেলেছেন শাহাদাত হোসেন সবুজ। এ ছাড়া শাহরিয়ার সাকিব ৪৬, ময়নুল ইসলাম তন্ময় ২৭ রান করেছেন। সিটি ক্লাবের হয়ে পাঁচটি উইকেট পেয়েছেন পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইন। তিনটি উইকেট নিয়েছেন এনামুল হক আশিক।
বৃষ্টি আইনে ২০৪ রান তাড়ায় ১৮৬ রানে অল আউট হয়েছে সিটি ক্লাব। টপ অর্ডারের কেউই সেভাবে দাঁড়াতে পারেননি। শেষের দিকে আনামুল হক আনাম ৫৬, গাফফার সাকলাইন ৩৬ ও এনামুল হক ৩৪ রান করেছেন। গুলশানের গয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন আব্দুর রহিম ও তানভির। দুইটি উইকেট পেয়েছেন শাহাদাত।