মিরপুরে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নেমে নিউজিল্যান্ডকে চেপে ধরে বাংলাদেশ। শরিফুল ইসলাম, তাসকিন আহমেদরা আঁটসাঁট বোলিংয়ে সফরকারীদের আটকে রাখলেন। পরবর্তীতে ধাক্কা সামলে ডিন ফক্সক্রফট, হেনরি নিকোলসরা নিউজিল্যান্ডকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন। তবে মাত্র ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় একেবারেই সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্ত।
পরবর্তীতে সাইফ ও লিটন মিলে ধাক্কা সামলে ৯৩ রানের জুটি গড়েন। সাইফ ফেরেন হাফ সেঞ্চুরির পর, লিটন পঞ্চাশ ছুঁতে পারেননি। শেষের দিকে আফিফ হোসেন ও হৃদয় মিলে বাংলাদেশকে জেতাতে পারেননি। বরং ধীরগতির উইকেটে রান তুলতে বেগ পোহাতে হচ্ছিলো বাংলাদেশের ব্যাটারদের। তবে উইকেটের অজুহাত দিয়ে পার পেতে চান না সাইফ। বরং দায় স্বীকার করে নিয়ে ডানহাতি ওপেনার জানালেন, ভুল সময়ে উইকেট পড়ায় প্রভাব পড়েছে রান তাড়ায়।
সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘পাকিস্তান সিরিজে তো আপনারা দেখছেন ট্রু উইকেট ছিল। এখানেও উইকেট ভালো ছিল, এমন তো না একদম খারাপ ছিল। তবে আমার মনে হয় কিছু আমরা যদি একটু ভালো মতো মানিয়ে নিতে পারতাম। একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল কিন্তু অজুহাত দেওয়ার কিছু নেই। যেহেতু আমরা আমাদের দেশকে, জাতীয় দলকে প্রতিনিধিত্ব করছি আমাদের সেই স্কিল সেট অবশ্যই আছে। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা আজকে ভালো করতে পারিনি।’
ভিন্ন আরেকটি প্রশ্নে ডানহাতি ওপেনার যোগ করেন, ‘একটা ধারণা ছিল উইকেট কীরকম হতে পারে। কিন্তু আজকে একটু বেশিই আনইভেন ছিল। কিন্তু আমার মনে হয় অজুহাত দিয়ে আসলে বাঁচার কোনো উপায় নেই। আমরা ম্যাচে ছিলাম ২২-২৫ ওভার পর্যন্ত। আমার মনে হয় ভুল সময়ে কিছু উইকেট পড়াতে আমরা ওইখান থেকে পিছিয়ে গেছি।’
নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি ভুগিয়েছে সিঙ্গেল বের করতে না পারা ও প্রয়োজনের অধিক ডট বল খেলা। প্রথম ওয়ানডেতে ৪৮.৩ ওভারে অল আউট হয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ ৩০০ বলের মধ্যে ২৯১ বল খেলতে পেরেছে স্বাগতিকরা। যেখানে ১৬৬টি ডট বল দিয়েছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। সাইফ জানালেন, এখানে তাদের উন্নতি করার সুযোগ আছে।
ডট বল খেলার প্রবণতা প্রসঙ্গে সাইফ বলেন, ‘অবশ্যই, উন্নতি করার জায়গা আছে। কিন্তু উইকেট একটু চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমরা যদি আরেকটি উন্নতি করতে পারি সেই জিনিসটা আপনি যেটা বললেন, অবশ্যই আমাদের দলের জন্য ভালো হবে।’