২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর দিয়ে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের দায়িত্ব নেন লিটন। ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটারের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টিতে ভালো করেছে বাংলাদেশ। লিটনের অধীনে শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো দলের সঙ্গে সিরিজ জিতেছে টাইগাররা। যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো দলের সঙ্গে সিরিজ হারের বাজে অভিজ্ঞতাও আছে।
তবুও সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভালো করছে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতিতে লিটনকে ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্বে বহাল রেখেছে বিসিবি। লিটনের পাশাপাশি সহ-অধিনায়কের দায়িত্বে থাকছেন সাইফ হাসানও। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাজমুল আবেদিন ফাহিম।
বোর্ড সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা জানি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সাথে সাথে আমাদের টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। সুতরাং টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক এবং সহ-অধিনায়ক যারা ছিল তারা পরবর্তী বিশ্বকাপ পর্যন্ত থাকবে, যেটা ২০২৮ সালে হবে।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমার ধারণা সে ভালো কাজ করছে এবং ওর অধীনে থাকলে আমাদের দলও ভালো করবে। একটা গোছানো দল পাব। টি-টোয়েন্টিতে আমরা সাম্প্রতিক সময়ে মোটামুটি ভালো করেছি ওর নেতৃত্বে। সেই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করেই ওকে এই দায়িত্বে বহাল রাখা হয়েছে।’
লিটনের মতো ওয়ানডে অধিনায়ক মিরাজের মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে। গত বছর নাজমুল হোসেন শান্তকে সরিয়ে মিরাজকে দায়িত্ব দেয় বিসিবি। মিরাজের অধীনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। যদিও তার অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে লম্বা সময়ের জন্য তাকে রাখছে বিসিবি। ২০২৭ সালে সাউথ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে হতে যাওয়া বিশ্বকাপ পর্যন্ত অধিনায়ক থাকছেন মিরাজ।
এ প্রসঙ্গে ফাহিম বলেন, ‘আমাদের ওয়ানডে অধিনায়কের মেয়াদও প্রায় শেষ হওয়ার কাছাকাছি চলে এসেছে। আমরা ফিল করি এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে অধিনায়করা যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে এবং লম্বা সময়ের জন্য একটা লক্ষ নিয়ে কাজ করতে পারে। মিরাজের যেহেতু প্রায় এক বছর হয়ে গেছে। সামনেই বিশ্বকাপ আছে।’
‘আমরা মনে করেছি ওকে যদি একটু সময় দেওয়া যায় তাহলে দলটা সুন্দর করে গোছাতে পারবে। আমার ধারণা মিরাজ খুবই ভালো করছে এবং আমাদের দলও অনেক উন্নতি করেছে। এসবের পরিপ্রেক্ষিতে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে। একটা লম্বা সময়ের জন্য দেওয়া যেন অধিনায়করা দল গঠনের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে।’