ওয়ানডে ফরম্যাটে ফেরার আগে এই প্রতিযোগিতাকে কার্যকর প্রস্তুতির মঞ্চ হিসেবে দেখছেন সাইফ হাসান। নর্থ জোনের বিপক্ষে ফাইনালে ৮৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যা সেন্ট্রাল জোনের শিরোপা জয়ে বড় ভূমিকা রাখে। তবে ব্যক্তিগতভাবে তিন অঙ্ক স্পর্শ করতে না পারার আক্ষেপ রয়ে গেছে ডানহাতি এই ব্যাটারের।
ম্যাচ শেষে সাইফ বলেন, 'সেঞ্চুরির আক্ষেপ সবারই থাকে। তবে জয়ে অবদান রাখায় আলহামদুলিল্লাহ। যারা ওয়ানডে সিরিজ খেলব তাদের জন্য এই টুর্নামেন্ট খুব ভালো প্রস্তুতি হলো। চারটা ম্যাচ খেলতে পেরেছি। এখান থেকে যদি নিতে পারি, সামনে প্রস্তুত হয়ে নামতে পারব।'
উইকেট প্রসঙ্গেও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি। সাইফের ভাষায়, 'উইকেট ওখানে (বগুড়া-রাজশাহী) খুব ভালো ছিল। এখানেও ভালো ছিল না তা না। স্পোর্টিং উইকেট ছিল। যেহেতু আমাদের সিরিজ এখানে, খুব ভালো প্রস্তুতিই হলো। অনেকদিন পর ওয়ানডে ম্যাচে নামছি। যে চার ম্যাচ খেলেছি, অবশ্যই অনেক সহায়তা করবে।'
টি-টোয়েন্টির পর আবার ওয়ানডেতে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী সাইফ। তিনি বলেন, 'পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে এটা আমার জন্য সুযোগ। যত ইমপ্রেস করতে পারব তত ভালো। খুব বেশি ঝামেলা হবে না। প্রস্তুতি খুব গুরুত্বপূর্ণ এখানে। উত্থানপতন থাকবেই, খারাপ সময় কাটিয়ে উঠতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।'
আগামী ৯ মার্চ ঢাকায় পৌঁছানোর কথা পাকিস্তান দলের। ১১, ১৩ ও ১৫ মার্চ শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম-এ অনুষ্ঠিত হবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। প্রতিটি ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে পাকিস্তান দলের নির্ধারিত ফ্লাইট নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তার কথাও শোনা যাচ্ছে।
আসন্ন পাকিস্তান সিরিজকে পাশে সরিয়ে রেখে আপাতত মানসিক প্রস্তুতির দিকে জোর দিয়েছেন সাইফ। তার বক্তব্য, 'মাইন্ড ট্রেনিং করেছি। যেহেতু ধারাবাহিকভাবে দুঃসময় যাচ্ছিল। মেন্টাল কন্ডিশন খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবাই হেল্প করেছে, ফ্রেন্ড, ফ্যামিলি সবাই।'