পুরো অস্ট্রেলিয়া সফরে দু-একটি ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ছাড়া বলার মতো কিছুই করতে পারেনি বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে রিতু মনি ব্যাট হাতে রানের দেখা পেয়েছিলেন। বাংলাদেশ সবচেয়ে ভালো ম্যাচটা খেলেছে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি করেছিলেন সোবহানা।
খেলেছেন ওয়ানডে ক্রিকেটে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১১৮ রানের ইনিংস। একই দিন হাফ সেঞ্চুরি করেছিলেন জ্যোতি। এ ছাড়া জ্যোতি ও সোবহানা মিলে দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১৯৫ রানের রেকর্ড জুটিও গড়েন। তৃতীয় ওয়ানডেতে হাফ সেঞ্চুরি করেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও স্বর্ণা আক্তার।
হোয়াইটওয়াশ হয়ে দেশে ফেরার পর সোবহানা জানিয়েছেন, সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে খেলাটা সহজ ছিল না। ডানহাতি ব্যাটার বলেন, ‘ওরা হচ্ছে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, আমরা সবাই জানি। ওদের বিপক্ষে খেলাটা সহজ ছিল না। আমার সেঞ্চুরি না একেকদিন একেকজন অবদান রেখেছে। প্রথম দিন রিতু মনি, তারপর জ্যোতি, সোবহানা এবং স্বর্ণা।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘হয়তোবা বোলারদের জন্য অনেক ভালো টার্গেট দিতে পারিনি। তবুও দ্বিতীয়বার হিসেবে আমার জন্য ভালো ছিল। আমার কাছে মনে হয় যদি আমরা ২৫০-৩০০ রান দিতে পারতাম, হয়তোবা বোলারদের জন্য আরেকটা সহজ হয়ে যেতো।’
দেশে ফেরার খুব বেশি সময় বিশ্রাম পাচ্ছে না বাংলাদেশ। আইসিসি নারী ইমার্জিং নেশনস ট্রফি খেলতে আগামী মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে থাইল্যান্ডে যাবেন জ্যোতি-সোবহানারা। যেখানে ‘বি’ গ্রুপে তাদের খেলতে হবে পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে, নেদারল্যান্ডস ও থাইল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে নিউজিল্যান্ড সফর করবেন বাংলাদেশের মেয়েরা।
কিউই সফরে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। সোবহানা মনে করেন, অস্ট্রেলিয়া সফরের অভিজ্ঞতা নিউজিল্যান্ডে কাজে লাগে লাগবে। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় যেহেতু এত ভালো দলের সাথে আমরা করতে পেরেছি, ভবিষ্যতে আমাদের যে খেলাগুলো আসতেছে নিউজিল্যান্ড, তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই অভিজ্ঞতা আমরা সেখানে কাজে লাগাতে পারব।’