ইংল্যান্ডে ১২ জুন পর্দা উঠছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের। ১৪ জুন নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ শুরু হবে বাংলাদেশের। পরের ম্যাচগুলোতে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান, ভারত ও সাউথ আফ্রিকা। ভারত ও সাউথ আফ্রিকার সাথে পূর্বে জেতার অভিজ্ঞতা থাকায় এবারও তাদের বিপক্ষে জেতার ভালো সম্ভাবনা আছে বলে মনে করেন জ্যোতি। বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছাড়ার আগে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আগের সব বিশ্বকাপের পারফরম্যান্সকে ছাপিয়ে যাবার লক্ষ্যের কথা জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে জ্যোতি বলেন, 'ভারত এবং সাউথ আফ্রিকার সাথে আমাদের ম্যাচ জেতার অভিজ্ঞতা আছে। আমি মনে করি যে এবার এই প্রতিযোগিতায় যে গ্রুপে আমরা আছি, আমাদের সম্ভাব্য সবথেকে ভালো সুযোগ আছে যেন আমরা অন্তত তিনটা ম্যাচ জিততে পারি।আমাদের দুটো ম্যাচে অনেক বড় সুযোগ থাকবে জেতার, সেটা হচ্ছে নেদারল্যান্ডস আর পাকিস্তান।'
নিজেদের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জ্যোতি যোগ করেন, 'প্রতিটি ম্যাচ ধরে ধরে এগোনোর পরিকল্পনাই আমাদের আছে। তবে বিশেষভাবে আমি যেটা বলবো যে, যদি আমরা শুরুটা অনেক ভালো পাই, একটা ছন্দ যদি তৈরি করতে পারি, সেটা অবশ্যই আমাদের পুরো প্রতিযোগিতাজুড়ে অনেক বেশি সাহায্য করবে।'
সবশেষ দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ৮ ম্যাচের মাত্র একটিতে জয় পেয়েছেন বাংলাদেশের মেয়েরা। তবে এবার সেই ইতিহাস বদলে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের আলাদাভাবে চেনাতে চান বাংলাদেশ অধিনায়ক।
এ প্রসঙ্গে জ্যোতি বলেন, 'সর্বপ্রথম বলবো যে আমাদের দলের জন্য এটা একটা সবথেকে বড় সুযোগ। আমরা যখন বিশ্বকাপ খেলতে যাই, যেহেতু আমাদের মতো দলের পরিচিতি বা সুযোগগুলো অনেক কম থাকে, তাই আমরা সবসময় চাই বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে- কারণ এটা সবথেকে বড় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু বলা যেতে পারে।
জ্যোতি যোগ করেন, 'বিশ্বকাপে বিশ্ব ক্রিকেটের সব জায়গার চোখ থাকে, নজর থাকে, বিশেষ করে এসব জায়গায় যখন আমরা ভালো খেলি তখন দলকে নিয়ে অনেক বেশি আলোচনা হয় এবং বিশেষভাবে যখন খেলোয়াড়েরা ব্যক্তিগতভাবে ভালো করে তখন তাদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ আসে।'
গ্রুপপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ২৮ জুন ঐতিহাসিক লর্ডসে সাউথ আফ্রিকার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের তীর্থ খ্যাত এই স্টেডিয়ামে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশের মেয়েরা।
প্রথমবার লর্ডসে খেলার অনুভূতি নিয়ে জ্যোতি বলেন, 'লর্ডসে খেলার সুযোগ পেয়ে দল রোমাঞ্চিত। ছোটবেলা থেকে যখন আমরা ক্রিকেট খেলা শুরু করেছি বা দেখছি, কিছু বিখ্যাত মাঠ আছে বা ঐতিহাসিক স্থান আছে যেখানে আসলে খেলোয়াড়েরা গিয়ে খেলতে চায়। তো আমাদেরও একই অনুভূতি, আমরাও খুশি যে আমাদের লর্ডসে খেলার একটা সুযোগ এসেছে।'