গত নারী বিসিএলে ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন সোবহানা। নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাই পর্বেও সেই ফর্ম ধরে রাখেন ডানহাতি এই ব্যাটার। নেপালে হওয়া সেই টুর্নামেন্টে ৬ ম্যাচে ৪৫.৮০ গড় ও ১৪৫.৮৫ স্ট্রাইক রেটে ২২৯ রান করেন তিনি। পেয়েছেন আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখাও।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ছক্কা ও নয়টি চারে খেলেন ৪২ বলে ৫৯ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংস। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সোবহানা করেছিলেন ৪৭ রান। বাকি ম্যাচগুলোতেও ক্যামিও ইনিংস খেলেন ২৪ বছর বয়সী এই ব্যাটার। সোবহানার এমন পারফরম্যান্সে ইংল্যান্ডে হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার টিকিট পায় বাংলাদেশ। পাশাপাশি বাছাই পর্বে সবগুলো ম্যাচ জিতে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের মেয়েরা।
একই টুর্নামেন্টে সোবহানার মতো ব্যাট হাতে আলো ছড়িয়েছেন লুইস। আয়ারল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেওয়ার পাশাপাশি দলকে বিশ্বকাপেও তুলেছেন। ৬ ম্যাচে ১২৪.৮৭ স্ট্রাইক রেটে ২৫১ রান করেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে জিততে না পারলেও ৭৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছিলেন লুইস। বাছাই পর্বে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন আয়ারল্যান্ডের অধিনায়ক।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগামী আসরে খেলা হচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্রের। তবে বল হাতে দারুণ ছন্দে ছিলেন নরিস। দুর্দান্ত বোলিংয়ে নিয়েছিলেন ১৫ উইকেট। নরিসের চেয়ে বেশি উইকেট নিতে পারেননি আর কেউই। জানুয়ারি মাসে বাঁহাতি পেসার ৫ ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়েছেন। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ১০ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট।