প্রথম ওয়ানডেতে গিল ও বিরাট কোহলির সেঞ্চুরিতে সহজ জয় পেয়েছে ভারত। পরের ম্যাচ স্বাগতিকরা চারশর বেশি রান তাড়া করেছে রোহিত ও গিলের ব্যাটে। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারই ভারতকে সিরিজ জিতিয়েছেন। তাদের তিন জনের বাইরে একটু আধটু সুযোগ পেয়েছেন রুতুরাজ গায়কোয়াড়। তবে দুই ম্যাচে একটি বলও খেলতে পারেননি রাহুল ও রবীন্দ্র জাদেজা। ২০২৭ বিশ্বকাপের আগে দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের পর্যাপ্ত ব্যাটিং না পাওয়া উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর থেকে সবশেষ ১৫ ইনিংসের চারটিতেই ব্যাটিং করার সুযোগ পাননি রাহুল। সবশেষ সাত ওয়ানডেতে ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার খেলেছেন মাত্র ৩৭ ডেলিভারি। যেখানে মাত্র একটি ম্যাচে ডেলিভারির সংখ্যা দুই অঙ্ক ছুঁয়েছে। কার্তিক মনে করেন, রাহুল ও জাদেজার আরও বেশি ব্যাটিং করার সুযোগ পাওয়া উচিত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছুই করার নেই বলে জানান তিনি।
ক্রিকবাজের সঙ্গে আলাপকালে, ‘আদর্শগতভাবে তারা হয়ত কিছুটা ব্যাটিং করার সুযোগ পেতে চাইতো। কিন্তু আমাদের ব্যাটিং এতটাই দুর্দান্ত এবং পিচগুলো এত ভালো যে ব্যাটাররা সহজে নিজেদের উইকেট বিলিয়ে দিতে চাইবে না। তারা সুযোগটা ভালোভাবেই কাজে লাগাচ্ছে, যা করা উচিত।’
‘পিচ খুব ভালো হওয়া কিংবা প্রতিপক্ষের বোলিং তাদেরকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারার মতো না, এটা তো তাদের দোষ না। লোকেশ রাহুল বিষয়টি খুব ভালো করেই জানেন। কারণ অতীতে সেও ওপেনিংয়ে বা উপরের সারিতে এমন উইকেটে খেলেছেন। আশা করি পরের ম্যাচে সে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাবে।’
ব্যাটিংয়ের সুযোগ না পাওয়া রাহুলের সঙ্গে আছেন ধ্রুব জুরেল, ইয়াশভি জয়সাওয়াল, মোহাম্মদ সিরাজের মতো ক্রিকেটাররা। যারা কিনা নিজেদের বাজিয়ে দেখার সুযোগ পাননি। প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিজেদের করায় তৃতীয় ওয়ানডেতে তাদের সুযোগ দিতে চাইবে ভারত। অধিনায়ক গিলও এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন।
গুয়াহাটিতে সিরিজ জয়ের পর গিল বলেছিলেন, ‘যারা এখনো সুযোগ পায়নি আমি অবশ্যই তাদের সুযোগ দিতে চািই। আশা করি আমরা এমন একটা কম্বিনেশন খুঁজে পাব যা আমাদের জন্য কাজে দেবে এবং তারাও খেলার সুযোগ পাবে।’