ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ মানে আলাদা একটা রোমাঞ্চ। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে একই গ্রুপে ফেলতে চেষ্টার কমতি রাখে না আইসিসি। গত কয়েকটি আইসিসি টুর্নামেন্টের মতো ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপেও একই গ্রুপে রাখা হয়েছে ভারত-পাকিস্তান। ‘এ’ গ্রুপে তাদের সঙ্গী আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত, পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে এবং কোয়ালিফায়ারের চ্যাম্পিয়ন দল।
বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে ৮ অক্টোবর। নামিবিয়ার উইন্ডহক শহরে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ। টাইগারদের পরের ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ১২ অক্টোবর সাউথ আফ্রিকার কুগোম্পো সিটিতে খেলবেন লিটন-নাজমুল হোসেন শান্তরা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ খেলবে ১৬ অক্টোবর, ডারবানে।
সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলতে নামার আগেও খুব বেশি বিরতি পাচ্ছে না বাংলাদেশ। ১৯ অক্টোবর ডারবানে বিশ্বকাপের আয়োজকদের বিপক্ষে খেলতে হবে টাইগারদের। গ্রুপ পর্বের শেষ কোয়ালিফায়ারে রানার্স আপ হয়ে আসা দলের বিপক্ষে লিটনরা খেলবেন ২৩ অক্টোবর, শানে শহরে। রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা হওয়ায় গ্রুপ পর্বে পাঁচটি ম্যাচ খেলার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ।
টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি নজরে থাকা ভারত ও পাকিস্তানের ম্যাচটি হবে সাউথ আফ্রিকার জোহানেসবার্গ শহরে, ১০ অক্টোবর। এদিকে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা ১৪ দলের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে থাকা তিনটি দল খেলবে সুপার সিরিজ। রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে একে অপরের বিপক্ষে খেলবে তারা। পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ থাকা দল দুইটি পরের রাউন্ডে জায়গা যাবে।
দ্বিতীয় পর্বে ১২টি দল ৩০টি ম্যাচ খেলবে। যেখানে ১২ দলকে ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। নিজেদের গ্রুপের প্রতিটি দলের সঙ্গে একটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে তারা। প্রতিটি গ্রুপ থেকে সেরা তিনটি করে দল সুযোগ পাবে ‘সুপার সেভেন’ পর্বে। সপ্তম দল হিসেবে সুযোগ পাবে দুই গ্রুপ মিলে শীর্ষ সাতে থাকা দলটি।
এখানেও রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলবে দলগুলো। সবমিলিয়ে ২১টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সুপার সেভেনের সেরা চারটি দল সুযোগ পাবে সেমিফাইনালে। যেখানে সুপার সেভেনের শীর্ষে থাকা দলটি খেলবে চারে থাকা দলের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দল খেলবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে। ২১ নভেম্বর ফাইনাল রাখা হয়েছে জোহানেসবার্গে।