সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপের ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে এবং কোয়ালিফায়ার ‘এ’। রাউন্ড রবিন পদ্ধতিতে খেলা শেষে দুই গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ তিন দল সুপার সেভেন পর্বে উঠবে। দুই গ্রুপের চতুর্থ স্থানে থাকা দলের মধ্যে যাদের পয়েন্ট বেশি থাকবে তারাও উঠবে সুপার সেভেনে।
কোনো ধরনের অঘটন না ঘটলে ‘এ’ গ্রুপ থেকে ভারত, পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার সুপার সেভেন খেলা প্রায় নিশ্চিত। ‘বি’ গ্রুপের চিত্রটা একেবারে ভিন্ন। কাগজে-কলমে গ্রুপের ছয় দলের মধ্যে পাঁচটি দলই সুপার সেভেনে খেলার যোগ্যতা রাখে। সপ্তম দল হিসেবে কেউ উঠলেও বাকি একটি দলকে বাদ পড়তে হবে গ্রুপ পর্ব থেকেই। ফিঞ্চের চোখে গ্রুপটি দেখার মতো হতে যাচ্ছে।
আইসিসির অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক বলেন, ‘এই গ্রুপে বেশ কয়েকটি মানসম্পন্ন দল রয়েছে। অবশ্যই, সাউথ আফ্রিকা তাদের ঘরের মাঠে খেলবে। সত্যি বলতে তারা খুবই ভালো একটা দল। তাদের মধ্যে তরুণ ও অভিজ্ঞদের মিশেলটা দারুণ। ইংল্যান্ডের কথা বলতে হবে। তারা যেভাবে এখন ওয়ানডে ক্রিকেট খেলছে। প্রচুর ইনটেনসিটি, বেশি ঝুঁকি, বড় পুরস্কার।’
‘শ্রীলঙ্কা তাদের দিনে খুবই ভয়ঙ্কর একটা দল। প্রতিটা বিশ্বকাপেই মানুষ নিউজিল্যান্ডকে খুব বেশি উপরের দিকে রাখে না। কিন্তু প্রতিবারই তারা সেমিফাইফানাল কিংবা ফাইনালে যাওয়ার পথ খুঁজে নেয়। তারা সবসময়ই দুর্দান্ত পারফর্ম করে। দুর্দান্ত একটা গ্রুপ হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে এই গ্রুপে বাংলাদেশ রয়েছে। কোয়ালিফায়ারের একটা দলও আছে।’
আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ১০ নম্বরে থাকায় সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলার টিকিট পায়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাছাই পর্ব উতরে যেতে পারলেই ২০২৭ বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ মিলবে তাদের। এমন অবস্থায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি ‘বি’ গ্রুপে আসে তাহলে সেটা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। এমনিতেও ‘বি’ গ্রুপকে কঠিন হিসেবে দেখছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক।
ফিঞ্চ বলেন, ‘কেউ জানে না এখানে কে আসবে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ যদি কোয়ালিফাই করে আসে? তারা ভয়ঙ্কর একটা দল। তাদের দিনে আপনাকে তারা একদম গুঁড়িয়ে দিতে পারে। এই তো সেদিন তারা ৪০০ রান করেছে, যদিও সেটা তাড়া করেছে (ভারত)। তবুও তারা ওয়ানডেতে ৪০০ রান করেছে। আমার কাছে মনে হয় এটা ‘এ’ গ্রুপের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন একটা গ্রুপ।’