ইংল্যান্ডের একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের কয়েকজন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের তদন্ত চলছে। সেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের ফোন নিজেদের কাছে রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এজবাস্টন টেস্ট শেষ হওয়ার পর ক্রিকেটারদের ফোন ফেরত দেওয়ার কথা রয়েছে।
দায়িত্ব নিয়েই হেসন ক্রিকেটারদের মাঠের খেলায় পুরোপুরি মনোযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তার মতে, এই মুহূর্তে খেলার বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ নেই। তাই ফোন ব্যবহার থেকেও আপাতত দূরে রাখতে চাওয়া হচ্ছে ক্রিকেটারদের।
তবে ফোন কেড়ে নেওয়ার পেছনে শুধু শৃঙ্খলার বিষয়টিই কাজ করছে না। দলের ভেতরের নানা তথ্য বাইরে চলে যাচ্ছে বলে সন্দেহ করছে পাকিস্তান দলের ম্যানেজমেন্ট। ক্রিকেটারদের মধ্য থেকেই কেউ দলের অভ্যন্তরীণ খবর বাইরে দিচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেই তথ্য ফাঁস ঠেকাতেই ফোন ব্যবহারে এমন কড়াকড়ি।
এদিকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম দুই টেস্টে পাকিস্তানের পারফরম্যান্স নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ব্যর্থতার পর ইমাম-উল-হক, মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আঘার মতো অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তাদের জায়গায় সুযোগ পাওয়া নতুন ক্রিকেটারদের নিয়েই এখন ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।
তবে ইংল্যান্ডের মাটিতে এই পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়াতে পারবে কি না, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন। তৃতীয় টেস্টেও হারলে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরীণ সংকটও আরও গভীর হতে পারে।