ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, রমিজ রাজা, ইনজামাম উল হকদের হাত ধরে ১৯৯২ সালে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জেতে পাকিস্তান। মাঝে ৩৪ বছর পেরিয়ে গেলেও দ্বিতীয়বার আর ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি ছুঁয়ে দেখা হয়নি তাদের। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে পাকিস্তান শিরোপা জিতে ২০০৯ সালে।
ইউনিস খানের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ২০ ওভারের ক্রিকেটের বিশ্বকাপ জিতেছিল পাকিস্তান। গত ১৭ বছরে টি-টোয়েন্টিতে আর বিশ্বকাপ জিততে পারেনি তারা। পাকিস্তান অবশ্য সবশেষ আইসিসির টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতেছে ২০১৭ সালে। সেবার ভারতকে উড়িয়ে আইসিসির চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিল তারা। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে ভালো করতে পারছেন না বাবর আজম-শাহীন শাহ আফ্রিদিরা।
গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়তে হয় পাকিস্তানকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটে উঠলেও বলার মতো পারফরম্যান্স করে দেখাতে পারেননি ক্রিকেটাররা। ২০২৩ সালে হওয়া ওয়ানডে বিশ্বকাপেও গ্রুপ পর্ব পার হতে পারেনি পাকিস্তান। ২০২৭ বিশ্বকাপ দিয়ে শিরোপা খরা কাটাতে চায় তারা।
এ প্রসঙ্গে হেসন বলেন, ‘অন্যান্য দলের মতো আমরাও বিশ্বকাপে খেলতে আসি এবং বিশ্বকাপ জেতার চেষ্টা করি। আমরাও এর ব্যতিক্রম নই। কিন্তু আমরা জানি, গ্রুপ পর্ব পার হতে হলে আমাদের পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ধারাবাহিক ক্রিকেট খেলতে হবে।’
সাউথ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় গিয়ে বিশ্বকাপ জেতার কাজটা একেবারেই সহজ হবে না পাকিস্তানের জন্য। কন্ডিশেনের কারণে খানিকটা পিছিয়ে পড়তে পারে এশিয়ার জায়ান্টরা। প্রায় দেড় বছর বাকি থাকলেও এখনই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করেছে তারা। বেশি দূরের কথা না ভেবে বরং প্রতিটি ম্যাচ নিয়ে পরিকল্পনা সাজানোর ভাবনা পাকিস্তানের।
হেসন বলেন, ‘আমি যেসব দলের সঙ্গে কাজ করেছি এবং যেসব দল সফল হয়েছে তারা কেউই খুব বেশি দূর ভবিষ্যতের কথা ভাবেনি। প্রথম ম্যাচ খেলার আগেই বিশ্বকাপ জেতা যায় না। কিন্তু আমাদের প্রত্যাশাও আর সবার থেকে আলাদা নয়।’