ম্যাচের প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৩৮ রানে অল আউট হয় কেন্ট। তবে প্রথম দিনের শেষ বিকেলে দুর্দান্ত বোলিংয়ে টানা দুই বলে দুই উইকেট এনে দিয়েছিলেন হাসান। দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশের পেসার নেন আরও দুইটি উইকেট। প্রথম ইনিংসে ৬৮ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। হাসানের এমন বোলিংয়ে ২১৭ রানে গুটিয়ে যায় উস্টারশায়ার।
২১ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৫৮ রান তোলে কেন্ট। স্বাগতিকদের হয়ে সর্বোচ্চ ১৩২ রানের ইনিংস খেলেন স্যাম নর্থইস্ট। এ ছাড়া জ্যাক ক্রলি ৫৪, ড্যানিয়েল বেল-ড্রুমন্ড ৪৪ এবং ক্রিস বেঞ্জামিন ৩৬ রান করেছেন। প্রথম ইনিংসে ৪ রানে অপরাজিত থাকা হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ৬ রান।
৩৮০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় উস্টারশায়ার। মাত্র ৩৯ রানে তিন উইকেট হারায় সফরকারীরা। পরবর্তীতে অ্যাডাম হুস ও ব্রেট ডি’ওলিভেইরা মিলে জুটি গড়েন। তাদের দুজনের জমে ওঠা জুটি ভাঙেন হাসান। ডানহাতি পেসারের দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে ফেরেন ৭৪ বলে ৩৮ রান করা হুস। এরপর হেনরি কালেনকে নিয়ে জুটি গড়েন ডি’ওলিভেইরা।
তাদের গুরুত্বপূর্ণ জুটিও ভাঙেন হাসান। বাংলাদেশের পেসারের বলে বোল্ড হয়েছেন ৪৫ রানের ইনিংস খেলা কালেন। শেষের দিকে বেন অ্যালিসনের উইকেটও নিয়েছেন হাসান। ৫১ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। হাসানের সঙ্গে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন কিথ ডাজন ও ম্যাট মিলনস। ডি’ওলিভেইরার সেঞ্চুরির পরও ২৯৫ রানে অল আউট হয়েছে উস্টারশায়ার।