চোট কাটিয়ে মাঠে নামা বাবর জানিয়েছিলেন, তিনি প্রায় ৯০ শতাংশ ফিট। কিন্তু সেই ফিটনেসও কাজে লাগাতে পারেননি পাকিস্তানের এই তারকা। প্রথম ইনিংসে ৮ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে থেমেছেন মাত্র ৬ রানে। জফরা আর্চারের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরার পর দলের ব্যর্থতায় তার দায় নিয়েই উঠছে বড় প্রশ্ন।
বাসিত সরাসরিই প্রশ্ন তুলেছেন বাবরের সামর্থ্য ও বড় ম্যাচে তার ভূমিকা নিয়ে। ‘বড় খেলোয়াড় কাকে বলে?’—প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘বিপদের দিনে যাঁরা কান্ডারি হতে পারেন না, তাদের বড় খেলোয়াড় বলে লাভ কী? আপনার বড়ত্ব কি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে? ভক্তদের পছন্দের তালিকায়?’
টেস্টে বাবরের দীর্ঘ ব্যর্থতাও বাসিতের সমালোচনার অন্যতম কারণ। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬১ রানের ইনিংসের পর আর শতক পাননি তিনি। সর্বশেষ ১৬ টেস্টে তার ব্যাটিং গড় মাত্র ৩০.৫৩। সব মিলিয়ে প্রায় চার বছর ধরে সাদা পোশাকে শতকের দেখা না পাওয়া বাবরকে নিয়ে হতাশা আরও বাড়ছে পাকিস্তানে।
লর্ডস টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে কিছুটা লড়াই করেছেন সাউদ শাকিল। ৯৭ রান করেও শেষ পর্যন্ত জশ টাংয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। তবে তার আউটের ধরনও পছন্দ হয়নি বাসিতের। ‘পাঁচজন ফিল্ডার দাঁড়িয়ে আছে, আর তুমি অমন একটা বাজে শট খেলে আউট হলে? শাকিলের ওই শটেও আমি সন্তুষ্ট নই,’ বলেন তিনি।
সমালোচনা থেকে রেহাই পাননি মোহাম্মদ রিজওয়ানও। মাত্র ১ রান করে আউট হওয়া এই উইকেটকিপার ব্যাটারের শট নির্বাচন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাসিত। তার ভাষায়, ‘রিজওয়ান ওটা কী শট খেলল? কোনো সাধারণ জ্ঞান কি ওর অবশিষ্ট নেই? ও কি টেস্ট ম্যাচ খেলছে, নাকি পাড়ার মোড়ের ক্রিকেট?’
লর্ডসে বড় হারের পর সিরিজও হাতছাড়া করেছে পাকিস্তান। এখন হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াই তাদের সামনে। ইংল্যান্ড ও পাকিস্তানের তৃতীয় ও শেষ টেস্ট শুরু হবে ৯ সেপ্টেম্বর এজবাস্টনে।