এই সিরিজে ছিলেন না জসপ্রীত বুমরাহ ও হার্দিক পান্ডিয়া। মাঝপথে চোটের কারণে ছিটকে যান হার্শিত রানা ও বরুণ চক্রবর্তীও। এমন পরিস্থিতিতে ব্যাটিং বিভাগের কাছ থেকে বাড়তি দায়িত্ব আশা করা হয়েছিল।
এর মধ্যে বৈভব সূর্যবংশীকে একাদশে না রাখা নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। এই সিরিজে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া সূর্যবংশী করেন যথাক্রমে ১৪, ১৩ এবং ১৫ রান। শেষ ম্যাচে তার জায়গায় একাদশে ফেরানো হয় সাঞ্জু স্যামসনকে।
এ নিয়ে ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার বলেন, 'আমাদের এমন একটি সমন্বয় চেষ্টা করতে হয়েছে, যা এই পরিবেশের জন্য উপযুক্ত হবে। পাশাপাশি অভিষেক শর্মার সঙ্গে একজন ডানহাতি ব্যাটারকে খেলানো দরকার ছিল। এটাই ছিল বড় কারণগুলোর একটি।'
'আমি একমাত্র ডানহাতি ব্যাটার ছিলাম, কারণ বাকি সবাই বাঁহাতি। আমরা এই ম্যাচের জন্য ভিন্ন একটি সমন্বয় চেষ্টা করতে চেয়েছিলাম। সাঞ্জু স্যামসন একজন দুর্দান্ত ব্যাটার, অতীতে সে আমাদের হয়ে অনেক সিরিজ জিতিয়েছে।'
ব্যাটিং অর্ডারের অস্থিরতা শুরু হয়েছে ওপেনিং জুটি থেকে। বৃষ্টির কারণে ডারহামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের পর সাঞ্জু স্যামসনকে বাদ দেওয়া হয়। তার জায়গায় ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশীকে আনা হয়। তবে তিনিও প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স করতে না পারায় শেষ ম্যাচে আবার বাদ পড়েন। শেষ ম্যাচে ফিরে এসে ১৪ বলে ২৭ রান করেন স্যামসন।