প্রথম টেস্টে নিউজিল্যান্ডকে অনায়াসে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। সেই ম্যাচের পরই একটি নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন তারা দুজন। ওইখানে গিয়ে রাগবি ইউনিয়নের ক্লাব সারাসেন্স এফসির সামোয়ান খেলোয়াড় টোটোয়া ওভার সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন স্টোকস ও অ্যাটকিনসন। এমন ঘটনার খবর সামনে আসতেই তদন্তে নেমেছে ইসিবি।
সেই তদন্তের অংশ হিসেবে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় টেস্টের দলে রাখা হয়নি স্টোকস ও গাস অ্যাটকিনসনকে। জানা গেছে, দ্বিতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিন তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নাইটক্লাব কাণ্ডের জেরে ইংল্যান্ডের অধিনায়কত্ব ছাড়ার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন স্টোকস।
ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবেগপ্রবণ সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন ইংল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার। আপাতত ক্রিকেট থেকে অবসর নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেই তার। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হয়েই জাতীয় দলে ফিরবেন কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। বোর্ডের সঙ্গে পুরোদমে আলোচনা হওয়ার পরই হয়তো সেটা নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।
ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি) ও টিম ম্যানেজমেন্টের কেউই স্টোকসকে বরখাস্ত করতে আগ্রহী নয়। তবে বর্তমান মানসিক অবস্থায় স্টোকস ইংলিশদের নেতৃত্বে থাকবেন কিনা সেটা নিয়ে সংশয় আছে তাদের। গত কয়েক দিনে প্রধান কোচ ব্রেন্ডন ম্যাককালাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক রব কি স্টোকসের ভবিষ্যতের প্রশ্নগুলো এড়িয়ে গেছেন।
তদন্ত এখনো শেষ না হলেও শুক্রবার (১৯ জুন) কাউন্টি ক্রিকেট দিয়ে ফিরছেন স্টোকস। চলতি কাউন্টি মৌসুমে ডারহামের হয়ে তৃতীয় ম্যাচ খেলবেন তিনি। গত মে মাসে নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবে দুইটা ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার সফরের পর এটাই ছিল স্টোকসের প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ।