ভেজা মাঠের কারণে নির্ধারিত সময়ের পরে খেলা শুরু হয়। টস জিতে আগে বল করার সিদ্ধান্ত নেন ইংল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জো রুট। প্রথম ম্যাচের দল থেকে পাঁচটি পরিবর্তন আনে স্বাগতিকরা, যার মধ্যে ছিলেন তিন অভিষিক্ত ক্রিকেটার। অন্যদিকে কিউই দলে অবসরে যাওয়া কেন উইলিয়ামসনের জায়গায় সুযোগ পান হেনরি নিকোলস।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি সফরকারীদের। ষষ্ঠ ওভারেই ফেরেন ডেভন কনওয়ে (৯)। চার বছর পর নিজের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা ম্যাথিউ ফিশারের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এরপর অধিনায়ক টম লাথাম ও নিকোলস কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তবে জফরা আর্চারের বলে চমৎকার এক ক্যাচে লাথামের (২৭) বিদায়ে সেই জুটি ভেঙে যায়।
প্রথম সেশনে দুই উইকেট হারিয়ে ৭৫ রান তোলে নিউজিল্যান্ড। মধ্যাহ্ন বিরতির পর জশ টাংয়ের বলে বিদায় নেন নিকোলস (২৪)। এরপর ৩৩ রান করা রাচিন রবীন্দ্রকেও ফেরান অভিষিক্ত সনি বেকার। দ্রুত দুটি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা।
সেই চাপ সামাল দেন ড্যারিল মিচেল ও টম ব্লান্ডেল। শুরুতে জীবন পেয়ে সুযোগটি ভালোভাবেই কাজে লাগান মিচেল। দুজন মিলে গড়ে তোলেন গুরুত্বপূর্ণ একটি জুটি। তাদের ব্যাটে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পায় নিউজিল্যান্ড।
শেষ সেশনের শুরুতে মিচেল ৪৪ রান করে ফিরলেও ব্লান্ডেল নিজের দায়িত্ব ঠিকই পালন করেন। সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে নামা গ্লেন ফিলিপস শুরু থেকেই ইতিবাচক ছিলেন। প্রথমদিকে দ্রুত রান তুললেও পরে পরিস্থিতি বুঝে সংযত ব্যাটিং করেন তিনি। ব্লান্ডেলকে সঙ্গে নিয়ে আরও একটি কার্যকর জুটি গড়ে তোলেন এই অলরাউন্ডার।
দিনের শেষ ঘণ্টায় অর্ধশতক পূরণের পরই আউট হন ব্লান্ডেল। তার ৫১ রানের ইনিংসটি নিউজিল্যান্ডকে শক্ত ভিত এনে দেয়। পরে ন্যাথান স্মিথও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান ফিলিপস।
দিনের খেলা শেষে ৪৯ রানে অপরাজিত ছিলেন ফিলিপস। তাকে ফেরাতে বারবার শর্ট বলের কৌশল নিয়েছিলেন আর্চার, কিন্তু সফল হতে পারেননি। দ্বিতীয় দিনে বড় সংগ্রহ গড়াই হবে নিউজিল্যান্ডের লক্ষ্য।