চোটের কারণে দলে রাখা হয়নি কয়েকজন ক্রিকেটারকে। ইনজুরির কারণে বিবেচনায় নেই মাইকেল ব্রেসওয়েল, অ্যাডাম মিলবে, উইল ও’রুর্কি ও ব্লেয়ার টিকনার। উইকেটকিপিংয়েও দেখা যেতে পারে ভিন্নতা। সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচে গ্লাভস হাতে থাকতে পারেন ডেভন কনওয়ে। শেষ দুই ম্যাচে উইকেটের পেছনে দেখা যেতে পারে ডেন ক্লেভারকে।
দলে সুযোগ পেয়েছেন কয়েকজন তরুণ ক্রিকেটারও। গত জানুয়ারিতে ওয়ানডে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়া জেডেন লেনক্স এবার টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে খেলার সুযোগ পেতে পারেন। এছাড়া স্কোয়াডে আছেন বিশ্বকাপে খেলা স্পিনার ইশ সোধি ও ব্যাটার কোল ম্যাকনকি।
প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ওপেনার কাটেনে ক্লার্ক। ২৬ বছর বয়সী এই ব্যাটার ঘরোয়া টি–টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা সুপার স্ম্যাশে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন।
একই প্রতিযোগিতায় টানা পাঁচ ফিফটি করে নজর কাড়া ব্যাটার বেভন জ্যাকবস আবার নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পাবেন। টপ অর্ডারে খেলতে পারেন টিম রবিনসন ও নিক কেলি।
পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে দলে আছেন জিমি নিশাম ও জশ ক্লার্কসন। চোট কাটিয়ে দলে ফিরেছেন পেসার নাথান স্মিথ, যিনি এখনও টি–টোয়েন্টিতে দেশের হয়ে অভিষেকের অপেক্ষায়। স্কোয়াডে আরও আছেন পেসার কাইল জেমিসন ও বেন সিয়ার্স। সিরিজের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ মার্চ মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে।
নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: মিচেল সান্টনার (অধিনায়ক, প্রথম ৩ ম্যাচ), টম লাথাম (অধিনায়ক, শেষ ২ ম্যাচ), কাটেনে ক্লার্ক (শেষ ২ ম্যাচ), জশ ক্লার্কসন, ডেন ক্লেভার (উইকেটরক্ষক, শেষ ২ ম্যাচ), ডেভন কনওয়ে (উইকেটরক্ষক, প্রথম ৩ ম্যাচ), লকি ফার্গুসন (দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচ), জ্যাক ফোকস, বেভন জ্যাকবস, কাইল জেমিসন, নিক কেলি, জেডন লেকন্স (শেষ ২ ম্যাচ), কোল ম্যাকনকি, জিমি নিশাম, টিম রবিসন, বেন সিয়ার্স, নাথান স্মিথ, ইশ সোধি।