পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে ভালো ক্রিকেট খেললেও সেমিফাইনালে যেতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১লা মার্চ সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে বিদায় নেয় ক্যারিবীয়রা। সাউথ আফ্রিকা অবশ্য অপরাজিত থেকে সেমিফাইনালে ওঠে। ৪ মার্চ প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তা পায়নি প্রোটিয়ারা। ফিন অ্যালেন ও টিম সেইফার্টের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে উড়ে যায় তারা।
জ্যাকব বেথেলের সেঞ্চুরির পরও দ্বিতীয় সেমিফাইনালে (৫ মার্চ) ভারতের কাছে বিদায় নেয় ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে ভারত ছাড়তে পারছিলেন তিন দেশের কোনো ক্রিকেটার। কলকাতার হোটেলে বসে অলস সময় পার করছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। বন্দিদশায় থাকতে থাকতে বাড়ি ফেরার আকুতি জানান ড্যারেন স্যামি।
এক্স পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আমি স্রেফ বাড়ি ফিরতে চাই।’ তাদের আকুতি শুনে চার্টার্ড ফ্লাইটের মাধ্যমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ, সাউথ আফ্রিকা ও ইংল্যান্ডকে দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৭ মার্চ (শনিবার) সন্ধ্যায় মুম্বাই থেকে লন্ডনের পথে রওনা হয়েছে ইংল্যান্ড।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকা কবে নাগাদ ভারত ছাড়বে সেটা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল। এমন পরিস্থিতিতে আইসিসির সমালোচনা করে ডি কক ইনস্টাগ্রামে লিখেন, ‘হাস্যকর আইসিসি, আমরা কিছু শুনিনি। ইংল্যান্ড আমাদের আগে চলে যাচ্ছে? ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সাউথ আফ্রিকা অন্ধকারে পড়ে আছে। অদ্ভুত ব্যাপার, কীভাবে কিছু দলের অন্যদের চেয়ে বেশি প্রভাব থাকে।’
মিলার লিখেন, ‘হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সাউথ আফ্রিকার পরে বাদ পড়েও ইংল্যান্ড আজ চার্টার্ড ফ্লাইটে করে ঘরে ফিরছে। অন্য দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং সাউথ আফ্রিকা এখনো কলকাতায় উত্তরের অপেক্ষায় আছে।’
তাদের এমন সমালোচনার মাঝেই দেশে ফেরার বার্তা পেয়েছেন ডি কক, মিলাররা। ইএসপিএন ক্রিকইনফোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ১০ মার্চ ভারত ছাড়বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও সাউথ আফ্রিকার ক্রিকেটাররা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রথমে সাউথ আফ্রিকা দলের সঙ্গে জোহানেসবার্গে যাবে। এরপর সেখান থেকে অ্যান্টিগায় যাবে।