ভারতীয়দের হৃদয় ভেঙে ট্রফি জিততে চান স্যান্টনার

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
ফাইনালের আগে প্রেস কনফারেন্সে মিচেল স্যান্টনার
ফাইনালের আগে প্রেস কনফারেন্সে মিচেল স্যান্টনার
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ফাইনালে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম ঠাসা থাকবে ভারতীয় দর্শকে। নিউজিল্যান্ডের কয়েক হাজার দর্শককে খুঁজে পাওয়া হয়ত দুষ্কর হয়ে যাবে। মিচেল স্যান্টনারের সেটা অজানা থাকার কথা নয়। বাইশ গজের লড়াইয়ের সঙ্গে লাখ খানেকের বেশি দর্শকের গর্জনও সামলাতে হবে নিউজিল্যান্ডকে। গ্যালারি ঠাসা সমর্থকদের চুপ করিয়ে দিতে চান স্যান্টনার। এমনকি ভারতীয় দর্শকদের হৃদয় ভেঙে শিরোপা জিততেও আপত্তি নেই নিউজিল্যান্ড অধিনায়কের।

আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম দুনিয়ার সবচেয়ে বেশি দর্শক ধারণ ক্ষমতার। যেখানে বসে খেলা দেখতে পারেন ১ লাখ ৩২ হাজার দর্শক। ইংল্যান্ডকে বিদায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে ভারত। বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এখন শিরোপা ধরে রাখার মিশন। এমনিতেই ভারতের মাটিতে খেলা হলে গ্যালারিতে সমর্থকের অভাব হয় না। শুধু ভারত কেন দুনিয়ার যেকোনো জায়গায় গ্যালারিতে আধিপত্য বিস্তার করেন ভারতীয় সমর্থকরা।

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ ফাইনাল, সেখানে আবার খেলছেন সূর্যকুমার যাদব, হার্দিক পান্ডিয়া, সাঞ্জু স্যামসন, জসপ্রিত বুমরাহরা। ভারতকে বিশ্বকাপ জিততে দেখতে নিশ্চিতভাবেই গ্যালারিতে গর্জন তুলবেন সমর্থকরা। টিকিটের জন্য হাহাকার হবে সেটাও অনুমেয়। এত এত ভারতীয় দর্শকের মধ্যে নিউজিল্যান্ডের হয়ত কয়েক হাজার থাকলেও থাকতে পারে। তবে স্বাগতিকদের তুলনায় সেটার সংখ্যা একেবারেই নগণ্য।

দর্শকদের গর্জনে বাড়তি একটা হোম অ্যাডভান্টেজ পাবে ভারত। তবে গ্যালারি ভর্তি স্বাগতিক সমর্থকদের হৃদয় ভাঙতে চান স্যান্টনার। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক বলেন, ‘আমরা ছোট ছোট জিনিসগুলোতে ভালো করতে চেষ্টা করব। গত কয়েকটা টুর্নামেন্টেই আমরা ধারাবাহিক ছিলাম। একবার ট্রফি উঁচিয়ে ধরতে কিছু মানুষের হৃদয় ভাঙতে হলেও আমি কিছু মনে করব না।’

২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালেও আহমেদাবাদে খেলেছে ভারত। সেবারও গ্যালারি ভর্তি স্বাগতিক সমর্থকরা ছিল। যদিও মাঠের ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সেবার পেরে উঠেনি তারা। অস্ট্রেলিয়ার মতো করে ভারতীয় দর্শকদের চুপ করাতে চান স্যান্টনার। পাশাপাশি এও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতের উপর অনেক চাপ থাকবে।

স্যান্টনার বলেন, ‘আমার মনে হয় সেটাই মূল লক্ষ্য, তাই না? দর্শকদের চুপ করানো। পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে অনেক বড় বড় দলই এমন অবস্থায় ছিল। এটা তখনই হয় যখন আপনি ছোট ছোট মুহুর্তগুলো (কাজে লাগাতে পারবেন)। আমরা আরেকটা বড় দলকে আপসেট করতে পারি। আমার মনে হয় ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতার জন্য ভারতের উপর প্রচুর চাপ থাকবে।’

আরো পড়ুন: