এরপর সেমি ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪২ বলে ৮৯ রানের আরেকটি ইনিংস খেলেছেন তিনি। অথচ বিশ্বকাপের আগেও কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল তাকে বিশ্বকাপ দলে নাও রাখা হতে পারে। তবে শেষ মুহূর্তে কপাল খুলে যায় স্যামসনের। এর পেছনে বড় ভূমিকা আছে ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের।
এর ফলে ভারতীয় এই কোচকে কৃতিত্ব দিয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও ক্রিকেট বিশ্লেষক শোয়েব আখতার। পিটিভি স্পোর্টসের 'গেম অন হ্যায়' শোতে আখতার উল্লেখ করেন, গম্ভীর যদি স্যামসনের দলে নিতে লড়াই না করতেন, তাহলে তার সুযোগই হতো না পারফরম্যান্স করার।
এ প্রসঙ্গে শোয়েব বলেন, 'স্যামসন ২০১৪ সাল থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের অংশ। আমি যখন ২০১৫ সালে ভারতে কাজ করছিলাম, তখন তার ব্যাপারে অনেক হাইপ ছিল। ভারতের দলে তখন মহেন্দ্র সিং ধোনি, দীনেশ কার্তিক এবং আরও অন্যান্য উইকেটকিপার থাকায় তাকে নিয়মিত সুযোগ পাওয়ার জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল।'
স্যামসনকে বেছে নেয়ার জন্য গম্ভীরকে কৃতিত্ব দিয়ে শোয়েব আরও যোগ করেন, 'এখনও গম্ভীরই সবকিছুর সঙ্গে লড়াই করে তাকে দলে আনার চেষ্টা করেছেন। মূলত, তাকে নেয়ার জন্য অনেক চাপ এবং যাচাই-বাছাই লাগেছে। যদিও শুরুতে তিনি টুর্নামেন্টে খেলতে পারেননি।'
এবারের বিশ্বকাপে স্যামসন চার ম্যাচে ২৩২ রান করেছেন, গড় ৭৭.৩৩ এবং স্ট্রাইক রেট ২০১.৭৩, দুটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এরমধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলা ম্যাচ জেতানো ইনিংসে তিনি পেছনে ফেলেছেন বিরাট কোহলিকে। যা নক আউটে ভারতের কোনো ব্যাটারের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস ছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ২০১৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে কোহলি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৪৭ বলেই ৮৯ করেছিলেন।