রবিবার ২০ ওভারে ১৮৭ রান তুলে ভারতকে ৭৬ রানে হারায় সাউথ আফ্রিকা। তবে ভারতের দুই প্রধান পেসার নিজেদের কাজটা করেছেন। জসপ্রীত বুমরাহ চার ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন তিনটি উইকেট। নতুন বলে তার সঙ্গী আর্শদিপ সিং চার ওভারে ২৮ রান দিয়ে পান দুটি উইকেট।
কিন্তু বাকি বোলারদের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। বরুণ চক্রবর্তী চার ওভারে দেন ৪৭ রান। হার্দিকের চার ওভারে আসে ৪৫ রান, আর দুবে দুই ওভারে খরচ করেন ৩২ রান। শেষ ওভারে হার্দিকের বলে ২০ রান তোলেন ট্রিস্টান স্টাবস, যা ম্যাচের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেয়।
একটি অনুষ্ঠানের আলোচনায় শোয়েব বলেন, 'হার্দিক পান্ডিয়া ও শিভম দুবে বল করছিল ১২০ কিলোমিটারের আশেপাশে গতিতে। তারা তো আর ম্যালকম মার্শাল নয় যে সাউথ আফ্রিকার এই ব্যাটিং লাইনআপে ভীতির সঞ্চার করবে। এমন বোলারদের শেষ দিকে আনলে প্রোটিয়া ব্যাটারদের পাল্টা আক্রমণ স্বাভাবিক।'
ম্যালকম মার্শালকে ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম পরিপূর্ণ পেসার হিসেবে ধরা হয়। গতি খুব বেশি না হলেও নিখুঁত লাইন-লেন্থ, দুই দিকে সুইং, কার্যকর বাউন্সার ও লেগ কাটারের জন্য তিনি ছিলেন ভয়ঙ্কর। ৮১ টেস্টে ৩৭৬ উইকেট নেওয়া এই ক্যারিবীয় পেসার ১৯৯৯ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।
হার্দিক-দুবের পাশাপাশি শোয়েব সমালোচনা করেন বরুণের পারফরম্যান্স নিয়েও। তার ভাষায়, 'ভারতের বোলিংয়ের দুর্বলতা এ দিন প্রকাশ্য হয়ে গেছে। বরুণের গতি নেমে এসেছিল ৯৪ কিলোমিটারে। সে বোলিংয়ে আসার পর তাকে ‘নো-লুক’ শটে ছক্কায় উড়িয়ে দিয়েছে ডেওয়াল্ড ব্রেভিস।'
সবশেষে শোয়েব মনে করেন, এই ম্যাচে ভারত কুলদীপ যাদবকে মিস করেছে, 'কুলদীপ এমন একজন, যে ফ্লাইটে ব্যাটারদের বিভ্রান্ত করতে পারে এবং প্রয়োজনের সময় উইকেট এনে দিতে পারে। তার ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য প্রমাণিত।'