সহ-স্বাগতিক হিসেবে বিশ্বকাপের শুরুটা ভালোই হয়েছিলো শ্রীলঙ্কার। কিন্তু ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হারের পরেই যেন খেই হারায় তারা। টানা তিন ম্যাচ হেরে বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের বিদায় নিশ্চিত করে লঙ্কানরা।
এরপরেই শ্রীলঙ্কা জুড়ে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। মাঠের বাইরের সমালোচনার মাত্রায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শানাকা। সমালোচকদের একহাত নিয়ে শানাকা বলেছিলেন, সমালোচকরা খেলা না দেখেই নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যে বড় আকারে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বলেও দাবী করেছিলেন শানাকা। এমনকি এসব সমালোচনা থামাতে সরকারের হস্তক্ষেপ চাইবেন বলেও বিতর্কিত এক ঘোষণা দেন তিনি।
শানাকার এমন মন্তব্যে সমালোচনা তো কমেনি, উল্টো বহুগুণ বেড়ে বিদ্ধ করতে থাকে লঙ্কান ক্রিকেটারদের। অধিনায়কের এমন মন্তব্যের পর শ্রীলঙ্কার সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার একক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন শানাকা। নিজেদের ব্যর্থতা শ্রীলঙ্কার আপামর ক্রিকেট সমর্থকদের ওপর চাপিয়ে দেবার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে অনেকটা নিয়ম রক্ষার ম্যাচ ছিলো শ্রীলঙ্কার জন্য। সেই ম্যাচে ৫ রানে হারলেও ৩১ বলে দুটি চার ও আটটি ছক্কায় ৭৬ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেন শানাকা। এরপরই ম্যাচ পরবর্তী পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আগের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চান তিনি। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক রমিজ রাজা প্রসঙ্গটি তোলার পর মাথা নিচু করে অকপটে নিজের ভুল স্বীকার করে নেন লঙ্কান অধিনায়ক।
নিজের আগের মন্তব্যকে চাপের মুখে করা ভুল মেনে নিয়ে শানাকা বলেন, ‘ক্রিকেটার হিসেবে কখনও কখনও আমরা প্রবল চাপ অনুভব করি। আমার দিক থেকে এটা ছিল ভুল। আবারও আমি দুঃখপ্রকাশ করতে চাই তাদেরকে কষ্ট দেয়ার জন্য। নিশ্চিত করব যেন এটার পুনরাবৃত্তি না হয়। এতগুলি বছর ধরে যারা আমাদের পাশে আছেন, সবার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ এবং অবশ্যই আমরা হতাশ।’