সালমানের কাঠগড়ায় মিডল অর্ডার ব্যাটাররা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
সালমান আঘা, ফাইল ফটো
সালমান আঘা, ফাইল ফটো
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পরই মূলত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়াটা অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় পাকিস্তানের। শ্রীলংকার বিপক্ষে সুপার এইটের নিজেদের শেষ ম্যাচে জয়ও তাই তাদের বাদ পড়াটা ঠেকাতে পারেনি। সেমিফাইনালের আগেই পাকিস্তানের এই বাদ পড়ায় নিজ দেশে ব্যাপক সমালোচনার শিকার সালমান আলী আঘার দল। সেসব সমালোচনা মেনে নিয়েছেন অধিনায়ক সালমান, বিশ্বকাপ ব্যর্থতার দায় নিয়েছেন ব্যাটারদের।

বেশ কঠিন এক সমীকরণ মাথায় নিয়েই স্বাগতিক শ্রীলংকার বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলো পাকিস্তান। ব্যাটিংয়ে নেমে ২১৩ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করালেও জয় পেয়েছে মাত্র পাঁচ রানে। আর তাই সেমিফাইনালিস্ট নিউজিল্যান্ডের সমান পয়েন্ট নিয়েও সুপার এইট থেকেই বাদ পড়েছে সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এই ম্যাচের আগে থেকেই শুরু হওয়া তীব্র সমালোচনা তাই এখনো হজম করতে হচ্ছে পাকিস্তান অধিনায়ককে।

দিন দুয়েক আগেই সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি রীতিমতো ধুয়ে দিয়েছিলেন সালমানকে। আফ্রিদির দাবী, অধিনায়ক হিসেবে দলে তেমন কোনো অবদানই রাখতে পারেননি সালমান। এমনকি সালমানের অধিনায়কত্ব দলের জন্য ক্ষতিকর বলেও মনে করেন পাকিস্তানের সাবেক এই অধিনায়ক। কিন্তু শুধু নিজের কাঁধেই দায় নেননি সালমান। তার দাবী, পুরো ব্যাটিং ইউনিটের ব্যর্থতাই এমন ফলাফলের কারণ।

সাইম আইয়ুব , বাবর আজমদের মত তারকাদের একাদশের বাইরে রেখেই নিজেদের শেষ ম্যাচে মাঠে নেমেছিলো পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে ১৭৬ রান তুলে ক্ষীণ সম্ভবনাকেও বাস্তব করার সম্ভাবনা জাগিয়েছিলো তারা। কিন্তু গত বছর দুয়েক ধরে পাকিস্তানকে ভোগানো মিডল অর্ডার এ দিনও প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়। সালমান মনে করেন মিডল অর্ডারের এই বেহাল দশাই তাদের বিশ্বকাপ ব্যর্থতার কারণ।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে সালমান বলেন, ‘আমরা পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে ভালো ব্যাটিং করতে পারিনি। ফারহান যদি আরও সমর্থন পেত, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভালো হতে পারত।আমাদের মিডল অর্ডার কয়েক বছর ধরেই সমস্যা হয়ে আছে; এটা নিয়ে অবশ্যই ভাবতে হবে।'

পাকিস্তান দলের দায়িত্ব নেয়া নিয়ে শুরু থেকেই সমালোচনায় ছিলেন সালমান। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ের সাথে মানিয়ে নিতে না পারার দোষে বাবর আজমকে সরিয়ে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিলো তাকে। কিন্তু সেই সালমান ২২ গড় আর ১২৩ স্ট্রাইকরেট নিয়েও দিব্যি খেলে যাচ্ছেন অধিনায়ক হিসেবে। এবারের বিশ্বকাপেও সাত ম্যাচে মোটে ৬০ রান এসেছে পাকিস্তান অধিনায়কের ব্যাট থেকে।

আরো পড়ুন: