এই ক্রিকেটার নিজেই এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন, ওমরাহ পালন করতে কয়েকদিন আগেই তিনি মক্কায় গিয়েছিলেন। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে তার শবিবারই দুবাই হয়ে বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল। তবে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে রওনা দিয়েও আবার জেদ্দায় ফিরে যেতে হয়েছে তাকে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটটি জেদ্দায় ফিরে গেছে বলে জানিয়েছেন মুশফিক। এই ক্রিকেটারের সঙ্গে সেখানে আরও অনেক বাংলাদেশি আটকা পড়েছেন। কবে আবারও বাংলাদেশে ফিরতে পারবেন তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই তারকা ক্রিকেটার।
ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, 'আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। কয়েক দিন আগে আমি ওমরাহ হজের উদ্দেশ্যে মক্কায় এসেছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, হজের সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছি এবং আজ দুবাই হয়ে এমিরেটস এয়ারলাইন্সে বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল।আজ সকালে আমরা জেদ্দা থেকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে এমিরেটসের ইকে ০৮০৬ ফ্লাইটে রওনা দিই। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইটটি আবার জেদ্দায় ফিরে আসে।'
মুশফিক আরও লিখেন, 'এখন আমি জেদ্দা বিমানবন্দরে আছি। এখানে আমার সঙ্গে হাজারো যাত্রী আটকে আছেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহই জানেন কবে এবং কীভাবে আমরা বাংলাদেশসহ অন্যান্য গন্তব্যে যেতে পারব, বিশেষ করে ঢাকাগামী বাংলাদেশি যাত্রীরা।'
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতির কারণে দাম্মাম, জেদ্দা, মদিনা, রিয়াদ, শারজাহ, আবুধাবি, দুবাই ও কুয়েতসহ অঞ্চলটির বিভিন্ন গন্তব্যে ফ্লাইট চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এসব রুটে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম।
এদিকে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ইরানে ইসরায়েলের হামলার ঘটনার পর বাহরাইন, কুয়েত, দুবাই ও কাতারসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে ওই অঞ্চলগামী এবং সেখান থেকে পরিচালিত অনেক ফ্লাইটের সময়সূচিতে পরিবর্তন এসেছে।