টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দেখেশুনে ব্যাটিং করছিলেন ফারহান ও ফখর। যদিও কয়েক ওভার পেরিয়ে যাওয়ার পরই আক্রমণাত্বক হয়ে ওঠেন তারা দুজন। সাইম আইয়ুবের জায়গায় ওপেনিংয়ে এসেই বাজিমাত করেছেন ফখর। তবে পাওয়ার প্লেতে ব্যাটিংয়ে ঝড়টা তোলেন ফারহান। তাদের দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ৬৪ রান তোলে পাকিস্তান। চলতি বিশ্বকাপে এবারই প্রথম পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেট হারায়নি তারা। পুরো টুর্নামেন্টেই ব্যাট হাতে ছন্দে ছিলেন ফারহান।
বিরাট কোহলির চেয়ে বেশি খানিকটা পিছিয়ে থাকলেও তাকে ছাড়িয়ে গেছেন। ২০১৪ বিশ্বকাপে ৩১৯ রান করেছিলেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক। কোহলিকে ছাড়িয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন ফারহান। ইনিংসের নবম ওভারে ডাবলস নিয়ে ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপে এটি তার চতুর্থ পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ চারটি পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস খেলার রেকর্ড আছে ম্যাথু হেইডেন, কোহলি ও বাবর আজমের।
২০১৪ সালের পর ২০২২ বিশ্বকাপেও চারটি করে পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস ছিল কোহলির। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন ফারহান। একটু পর ওয়েলালাগেকে চার মেরে ২৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন ফখর। তাদের দুজনের ব্যাটে একশর পর দেড়শও ছাড়িয়ে যান। ইনিংসের ১৬তম ওভারে ফারহান ও ফখরের জুটি ভাঙেন দুশমন্থ চামিরা। ডানহাতি পেসারের বলে ফাইন লেগ দিয়ে খেলার চেষ্টায় বোল্ড হয়েছেন ফখর। ৪২ বলে ৮৪ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন বাঁহাতি এই ওপেনার। ফখরের বিদায় ভাঙে ফারহানের সঙ্গে ১৭৬ রানের উদ্বোধনী জুটি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যে কোনো উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। পেছনে ফেলেছেন চলতি বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনের অবিচ্ছিন্ন ১৭৫ রানের জুটিকে। তিনে নেমে ২ রান করে আউট হয়েছেন খাওয়াজা নাফে। শানাকার বলে সিঙ্গেল নিয়ে ৫৯ বলে সেঞ্চুরি করেন ফারহান। চলতি বিশ্বকাপে এটা তাঁর দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। বিশ্বকাপে দুইটি সেঞ্চুরি আছে ক্রিস গেইলেরও। তবে সেটা ভিন্ন দুই আসরে। পরবর্তীতে ৬০ বলে ১০০ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। পাকিস্তান ২১২ রানের পুঁজি পেয়েছে।