ওয়াংখেড়ের ব্যাটিং স্বর্গেও মোতি ও আকিলের বোলিংকে দুর্দান্ত না বলে উপায় নেই। কিন্তু সাউথ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি মনে করেন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দারুণ বোলিং করলেও এই দুই বাঁহাতির আসল পরীক্ষা হবে সুপার এইটের বাকি দুই প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ভারতের বিপক্ষে।
টি-টোয়েন্ট ক্রিকেটে নতুন বলে আকিল গত বেশ কিছু বছর ধরেই বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার। এদিনও পাওয়ার প্লের মাঝেই জিম্বাবুয়ের জয়ের ন্যূনতম সম্ভাবনাটুকুও শেষ করে দেন আকিল। পাওয়ার প্লেতে তিন ওভার বল করে এক মেইডেনসহ ২১ রানে এক উইকেট শিকার আকিলের।
পাওয়ার প্লের পর বোলিংয়ে এসে আকিলের বোলিংয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন মোতি। দুই ক্যারিবিয়ান স্পিনারের জুটিটাও জমেছিল বেশ। আকিলের স্টাম্প টু স্টাম্প নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সঙ্গে মোতির ফ্লাইট নির্ভর আক্রমণাত্মক বোলিং, সব মিলিয়ের প্রতিপক্ষকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছে। আকিলের কিপ্টে বোলিংয়ের পর একে একে জিম্বাবুয়ের চারটি উইকেট তুলে নেন মোতি।
ক্যারিবিয়ান এই স্পিনার ভিন্ন বৈচিত্র্যের বলে উল্লেখ্য করেছেন ডু প্লেসি। তিনি যোগ করেন, 'দুইজন খুবই ভিন্ন ধরণের বোলিং করে থাকেন। একজন পাওয়ার প্লেতে অনেকটা স্যামুয়েল বাদ্রির মতই দুর্দান্ত, আরেকজন ছয় ওভারের পর এসে খেলাটা শেষ করেন।'
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগ পর্যন্ত এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অপরাজিতই ছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু আগে ব্যাট করে সিকান্দার রাজার দলকে ২৫৫ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। যা ডিফেন্ড করা বেশ সহজই ছিলো আকিল-মোতির জন্য। তবে ভারত ও সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে তারা কেমন বোলিং করেন সেটাই দেখার অপেক্ষায় থাকবেন ডু প্লেসি।
তিনি বলেন, 'আমি সাউথ আফ্রিকার মাটিতে তাদের দেখেছি। তাদের সাথে এবং তাদের বিপক্ষেও খেলেছি। অসাধারণ স্পিনার তারা। পিচের সামান্য সহায়তা পেলেও তারা সেটা কাজে লাগাতে জানে। কিন্তু তাদের কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে ভারতের বিপক্ষে কারণে সেই দলে বেশকজন বাঁহাতি ব্যাটার আছেন। তাদের বিপক্ষে এই দুইজন কিভাবে বোলিং করে সেটিই হবে দেখার বিষয়। সেই সাথে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষেও কঠিন চ্যালেঞ্জ তাদের সামনে কারণ এই দুইজনকেই সাউথ আফ্রিকার মাটিতে দারুণ মোকাবেলা করেছিলেন প্রোটিয়া ব্যাটাররা।'