ক্যান্ডিতে রান তাড়ায় ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ফেরেন পাথুম নিশাঙ্কা। পেসার জফরা আর্চারের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে ফ্লিক করতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে ক্যাচ দেন ছন্দে থাকা এই ওপেনার। পরের ওভারে আউট হয়েছেন কুশল মেন্ডিস। ৪ বলে ৪ রান করে উইল জ্যাকসের বলে তারই হাতে ক্যাচ দেন। একই ওভারের পরের বলে আউট হয়েছেন পবন রত্নায়েকেও। জ্যাকসের বলে ডিপ কভারে টম ব্যান্টনকে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি।
পঞ্চম ওভারে কামিল মিশারাকে ফেরান আর্চার। ডানহাতি পেসারের ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিতে এজ হয়ে গালিতে জেমি ওভারটনের হাতে ক্যাচ দেন ১১ বলে ৬ রান করে। পাওয়ার প্লে শেষের আগে ফেরেন দুনিথ ওয়েলালাগেও। ১০ বলে ১০ রান করে জ্যাকসের শিকার হয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। পাওয়ার প্লেতে ৫ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও দ্রুতই কামিন্দু মেন্ডিস ও দুশান হেমন্থ।
সবার আসা-যাওয়ার মিছিলে একপ্রান্ত আগলে রেখে স্বাগতিকদের এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন দাসুন শানাকা। তবে ভালো শুরু পাওয়া শ্রীলঙ্কার অধিনায়ককে বিদায় করেন রশিদ। ডানহাতি লেগ স্পিনারের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করে ছক্কা মারার চেষ্টায় ফিরতে হয় তাকে। ডিপ মিডউইকেটে জ্যাকস ও ব্যান্টন মিলে দুর্দান্ত ক্যাচ নিলে ২৪ বলে ৩০ রান করে থামেন শানাকা। শেষ পর্যন্ত ৯৫ রানে অল আউট হয়েছে শ্রীলঙ্কা। ইংল্যান্ডের হয়ে জ্যাকস তিনটি উইকেট নিয়েছেন। দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন আর্চার, ডওসন এবং রশিদ।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ডের শুরুটাও ভালো হয়নি। ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন জস বাটলার। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে ওয়েলালাগের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন তিনি। দ্রুতই বিদায় নেন জ্যাকব বেথেল, ব্যান্টন, ব্রুক, স্যাম কারানরা। তবে একপ্রান্ত আগলে ৬২ রান করেন সল্ট। শেষ দিকে জ্যাকসের ব্যাট থেকে আসে ২১ রান। তাদের দুজনের ব্যাটেই ১৪৬ রানের পুঁজি পায় ইংল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার হয়ে ওয়েলালাগে তিনটি এবং মাদুশঙ্কা ও থিকশানা দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন।