বাংলাদেশের প্রতি অবিচারে শুরু থেকেই সরব ছিল পাকিস্তান। তারা বাংলাদেশের পক্ষ নিয়ে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়। ধারণা করা হচ্ছিল ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে আইসিসির ক্ষতি হতে পারে ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি। আইসিসি এই লোকশানের কথা ভেবেই পিসিবিকে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানায়।
এরপর আইসিসি আলোচনায় বসে বিসিবি ও পিসিবির সঙ্গে। আলোচনায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তান বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেয়। এর মধ্যে পাকিস্তান প্রস্তাব দেয় ২০২৮ সাল থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি বৈশ্বিক আসর আয়োজনের সুযোগ দিতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশকে কোনো ধরনের শাস্তি বা জরিমানা করা যাবে না। আইসিসি সব শর্ত মেনে নেয়।
যার কারণে ভারতের বিপক্ষে খেলতে রাজি হয় পাকিস্তান। অর্থাৎ ১৫ ফেব্রুয়ারি নিশ্চিতভাবেই হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। এদিকে এসব ইস্যুতে পাকিস্তানের সমালোচনা করেছেন বিরাট কোহলির ছেলেবেলার কোচ রাজকুমার শর্মা।
তিনি বলেন, 'এটা ছিল পাকিস্তানেরই নাটক, ওরা সব সময়ই এমন করে। আগে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছে, তারপর তাদের পাশে ঠেলে সরিয়ে দিয়েছে। এখন বুঝতে পেরেছে, ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে তাদের কত বড় ক্ষতি হবে। তাই পাকিস্তানের কাছ থেকে এসব আচরণ নতুন কিছু নয়।'
৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত। গ্রুপ ‘এ’-তে ভারতের সঙ্গে রয়েছে নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তান।