বিশ্বকাপ নিয়ে আফ্রিদি-বাবরদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন পিসিবি চেয়ারম্যান নাকভি

পাকিস্তান ক্রিকেট
ফাইল ছবি
ফাইল ছবি
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
সরকার চাইলে বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। এমন আলোচনার মধ্যেই বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এবার বিশ্বকাপ দলে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন মহসিন নাকভি। টুর্নামেন্টের স্ট্র্যাটেজি এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা করবেন পিসিবির চেয়ারম্যান। এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জিও নিউজ।

২৯ জানুয়ারি থেকে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে পাকিস্তান। বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবেই সিরিজটি খেলবেন বাবর আজমরা। তবে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবে কিনা সেটা এখনো নিশ্চিত নয়। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা করেছেন নির্বাচক আকিব জাভেদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অধিনায়ক সালমান আলী আঘা ও প্রধান কোচ মাইক হেসন।

প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলে ডাক পেয়েছেন সালমান আঘা, ফাহিম আশরাফ, খাওয়াজা নাফে, সালমান মির্জা, সাহিবজাদা ফারহান ও উসমান তারিক। পাশাপাশি দলে রাখা হয়েছে বাবর, ফখর জামান, আবরার আহমেদ, মোহাম্মদ নাওয়াজ, নাসিম শাহ, শাদাব খান, উসমান খান ও শাহীন শাহ আফ্রিদির মতো ক্রিকেটারদের। বিশ্বকাপ দল ঘোষণার পরই ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনার বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মহসিন নাকভি।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ জানিয়েছে, ২৫ জানুয়ারি শাহীন আফ্রিদি-বাবরদের সঙ্গে দেখা করবেন পিসিবি চেয়ারম্যান। বিশ্বকাপের স্ট্র্যাটেজির সঙ্গে টুর্নামেন্টের ভবিষ্যত নিয়েও আলোচনা করবেন তিনি। গুঞ্জন আছে বাংলাদেশ থেকে অন্যায়ভাবে বাদ দেয়ায় বিশ্বকাপ থেকে বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন নাকভিও। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দেশে ফিরলেই তারা এটা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

মহসিন নাকভি বলেছিলেন, ‘বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের বিষয়ে আমাদের অবস্থান সেটাই হবে, যেটা পাকিস্তান সরকার আমাকে নির্দেশ দেবে। প্রধানমন্ত্রী এখন পাকিস্তানে নেই। তিনি ফিরে আসার পর আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাতে পারব। এটি সরকারের সিদ্ধান্ত। আমরা তাদের কথা মেনে চলি, আইসিসির কথা নয়।’

‘আমি মনে করি, বাংলাদেশের সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে। আপনার (আইসিসি) দ্বিমুখী নীতি থাকতে পারে না। একটি দেশের (ভারত) জন্য আপনি বলতে পারেন না যে, তারা যা খুশি তাই করতে পারে এবং অন্যদের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ বিপরীত। এই কারণেই আমরা এই অবস্থান নিয়েছি এবং স্পষ্ট করে দিয়েছি যে, বাংলাদেশের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। তাদের বিশ্বকাপে খেলা উচিত, তারা ক্রিকেটের বড় অংশীদার।’

আরো পড়ুন: