আইসিসি শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পরিবর্তে খেলবে স্কটল্যান্ড। ‘সি’ গ্রুপেই বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে স্কটিশরা। এর ফলে বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য বেদনাদায়ক এক মুহূর্ত বলে মনে করছে ডব্লিউসিএ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে ডব্লিউসিএর প্রধান নির্বাহী টম মোফাত বলেন, ‘টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে একটি মূল্যবান ক্রিকেটিং জাতির অনুপস্থিতি আমাদের খেলাধুলার জন্য, বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকদের জন্য এক দুঃখজনক মুহূর্ত।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, 'ক্রিকেট তখনই সবচেয়ে শক্তিশালী থাকে, যখন প্রতিটি দল ও প্রতিটি খেলোয়াড়কে সম্মানের সঙ্গে দেখা হয়, ধারাবাহিক ও যথাযথ সমর্থন দেওয়া হয় এবং ন্যায্য শর্তে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়। সব অংশগ্রহণকারী যখন খেলাটির সাফল্যে প্রকৃত অবদান রাখতে পারে, তখনই ক্রিকেট তার সর্বোচ্চ রূপে পৌঁছায়।'
ডব্লিউসিএ সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিকেটে গড়ে ওঠা কিছু প্রবণতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির মতে, চুক্তি না মানা, অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া এবং খেলোয়াড় ও তাদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অর্থবহ পরামর্শের ঘাটতি ক্রমেই বাড়ছে। এসব বিষয় মানুষের প্রতি এক ধরনের উদাসীন মনোভাবের প্রতিফলন, যা ক্রিকেটে গ্রহণযোগ্য নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, 'এই পরিস্থিতি বৈশ্বিক ক্রিকেট কাঠামোর ভেতরে থাকা গুরুতর সমস্যাগুলোকেও সামনে নিয়ে আসে। এসব সমস্যা যদি অব্যাহতভাবে উপেক্ষিত থাকে, তাহলে তা আস্থা ও ঐক্যকে দুর্বল করবে এবং শেষ পর্যন্ত ক্রিকেটের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।'
ক্রিকেট নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডব্লিউসিএ বলেছে, বিভাজন বা বর্জনের সংস্কৃতি থেকে সরে এসে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। গভর্নিং বডি, বিভিন্ন লিগ এবং খেলোয়াড়—সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সংগঠনটি। ডব্লিউসিএর ভাষায়, ক্রিকেটকে বিভক্ত না করে ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং খেলাটির দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য ও সাফল্যের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখাই হওয়া উচিত ক্রিকেট নেতৃত্বের প্রধান লক্ষ্য।