গতকাল বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় অংশ নেন নাজমুল ইসলাম। সেখানেই তাঁকে অর্থ বিভাগের দায়িত্ব পুনরায় বুঝিয়ে দেয়া হয়। বিষয়টি নিজেই গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বিসিবির এই পরিচালক।
নাজমুল ইসলামকে নিয়ে সভা শেষে বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘এম নাজমুল ইসলামের কাছে যে জবাবদিহির বিষয় জানতে চাওয়া হয়েছিল, অর্থাৎ বোর্ডের কারণ দর্শানোর নোটিশ, সেটির জবাব তিনি শৃঙ্খলা বিভাগের কাছে পাঠিয়েছেন। বিসিবির শৃঙ্খলা বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, তার জবাব সন্তোষজনক ছিল।’
এর আগে তামিম ইকবালকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, ক্রিকেটারদের কাছে অর্থ ফেরত চাওয়ার প্রসঙ্গসহ একাধিক বক্তব্যের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন এম নাজমুল ইসলাম। এরপরই ক্রিকেট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বিসিবির এই পরিচালকের পদত্যাগ দাবি করা হয়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ১৫ জানুয়ারি বিপিএল বয়কট করেন মোহাম্মদ মিঠুন, নাজমুল হোসেন শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজসহ বাংলাদেশের সব ক্রিকেটাররা। এর পরপরই নাজমুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় বিসিবি। ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয় তাকে।
এরপর বিসিবির কারণ দর্শানোর জবাব দেন নাজমুল। তবে তাকে সরাসরি বোর্ড থেকে সরিয়ে দেয়ার এখতিয়ার নেই বিসিবির। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, কোনো পরিচালককে বোর্ড সরাসরি অপসারণ করতে পারে না। চার বছরের জন্য নির্বাচিত কোনো পরিচালকের পদ শূন্য ঘোষণা করা যায় কেবল নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে—যেমন মৃত্যু, মানসিক ভারসাম্য হারানো, শৃঙ্খলাজনিত শাস্তি, দেউলিয়া ঘোষণা হওয়া কিংবা পরপর তিনটি বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকার মতো পরিস্থিতিতে।