মুস্তাফিজকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়ায় নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যেতে চায়নি বাংলাদেশ। লিটনদের ম্যাচগুলো যাতে ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করা হয় সেই জন্য আইসিসিকে অনুরোধ করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। চিঠি চালাচালির পাশাপাশি কয়েক দফা বৈঠক করলেও বিসিবির দাবি মেনে নেয়নি ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
বরং বোর্ড সভা শেষে আইসিসি জানিয়ে দেয় বিশ্বকাপ খেলতে হলে ভারতেই যেতে হবে বাংলাদেশকে। অথচ একই কারণে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি খেলতে গত বছর পাকিস্তানে যায়নি ভারত। যার ফলে পুরো টুর্নামেন্টটি হাইব্রিড মডেলে করতে হয়েছে। বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মারা তাদের সবগুলো ম্যাচ খেলেছেন দুবাইয়ে। বাকি দলগুলো পাকিস্তান থেকে এসে দুবাইয়ে ম্যাচ খেলেছে।
অথচ নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরানোর দাবি নাকচ করে দেয় আইসিসি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেই ঘটনার উদাহরণ দিয়ে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার দ্বিমূখী আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গিলেস্পি। দুবাইয়ে ভারতের ম্যাচ খেলার যৌক্তিক ব্যাখ্যাও চেয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধান কোচ ও অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার।
‘এক্স’ একাউন্টে গিলেস্পি লেখেন, ‘কেন বাংলাদেশ তাদের ম্যাচ ভারতের বাইরে খেলতে পারবে না, এর কোনো ব্যাখ্যা আইসিসি কি দিয়েছে? স্মৃতি থেকে বলতে পারি, পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ খেলতে চায়নি ভারত এবং ওই ম্যাচগুলো তারা (আয়োজক) দেশের বাইরে খেলে। কেউ কি এর যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।’
বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে এমন পোস্ট দেয়ায় ভারতীয় সমর্থকদের তোপের মুখে পড়েছেন গিলেস্পি। নানান ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটারকে। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়ে পোস্ট ডিলিট করেছেন তিনি। পোস্ট ডিলিট করার ব্যাখ্যায় গিলেস্পি বলেন, ‘কারণ সহজ একটা প্রশ্ন করার কারণে আমাকে অপমান (অ্যাবিউজ) করেছে, এজন (ডিলিট করেছি।’ আরেকটি কমেন্টে তিনি বলেন, ‘আমি কারও পক্ষ নিইনি— শুধু জিজ্ঞেস করেছিলাম এবং সমালোচনার মুখে পড়লাম।’
নেতিবাচক মন্তব্যের জেরে বছরখানেক আগে তৎকালীন টুইটার থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন গিলেস্পি। সেই ঘটনার কথা মনে করিয়ে তিনি বলেস, ‘বছরখানেক আগে টুইটার থেকে চলে যাওয়ার একটা কারণ ছিল। প্রচুর রাগ এবং নেতিবাচকতা। আপনি প্রশ্ন করবেন এবং সমালোচিত হবেন। আমি নিশ্চিত নিই এখানে (এক্স) কতক্ষণ থাকতে পারব।’