দুবাইয়ের জয়ের জন্য ১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ইনিংসের চতুর্থ বলেই ফেরেন ব্রেন্ডন কিং। স্পিনার মুজিবের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন ৪ রান করে। আরেক ওপেনার এভিন লুইসও সুবিধা করতে পারেননি। জিয়া উর রহমানের বলে রাসুলির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন ১১ বলে ৪ রান করে। পাওয়ার প্লে শেষের আগে আউট হয়েছেন জনসন চার্লসও। ব্যাট হাতে ঝড়ো শুরু পাওয়া ডানহাতি ব্যাটার ১৬ বলে ২৭ রান করে ফিরেছেন মুজিবের বলে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে পড়ে।
মুজিবের ঘূর্ণির পর ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চেপে ধরেন রশিদ। ডানহাতি লেগ স্পিনারের বলে রাসুলির হাতে ক্যাচ দিয়ে ড্রেসিং রুমের পথে হাঁটেন ৭ বলে ৩ রান করা শিমরন হেটমায়ার। আরেক ব্যাটার আমির জাঙ্গুকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন রশিদ। ৫০ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর কুইন্টিন সিম্পসন ও ম্যাথু ফোর্ড মিলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন। তাদের দুজনের ৪৫ রানের জুটি ভাঙেন জিয়া উর।
ডানহাতি পেসারের বলে উইকেটের পেছনে গুরবাজকে ক্যাচ দিয়েছেন ২৪ বলে ৩০ রান করে। একটু পর আউট হয়েছেন ফোর্ডও। ২১ বলে ২৫ রান করা ডানহাতি ব্যাটারের উইকেট নিয়েছেন নূর। শেষের দিকে মাত্র ১৫ বলে ২৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন গুড়াকেশ মোতি। ৯ উইকেটে ১৪৩ রান তুলে থামলে ৩৮ রানে হারতে হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। আফগানিস্তানের হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন জিয়া উর। এ ছাড়া দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন রশিদ, নূর ও মুজিব।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো করতে পারেনি আফগানিস্তান। ইনিংসের প্রথম বলেই সিঙ্গেল নিতে গিয়ে রান আউট হয়েছেন গুরবাজ। তৃতীয় ওভারে জেইডেন সিলসের বলে আউট হয়েছেন অটলও। ১৯ রানে ২ উইকেট হারানোর পর আফগানদের হাল ধরেন ইব্রাহিম ও রাসুলি। তাদের দুজনের ব্যাটেই এগোতে থাকে স্বাগতিকরা। দারুণ ব্যাটিংয়ে ৩৭ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ইব্রাহিম। একটু পর ৩৬ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন আরেক ব্যাটার রাসুলি।
শেষ পর্যন্ত তাদের দুজনের কাউকেই ফেরাতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৮ চার ও ৩ ছক্কায় ৫৬ বলে ক্যারিয়ারসেরা ৮৭ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন ইব্রাহিম। ৮ চার ও ২ ছক্কায় রাসুলি ৮৪ রানের ইনিংস খেলেছেন ৫৯ বলে। দুজনে মিলে গড়েন অবিচ্ছিন্ন ১৬২ রানের জুটি। টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের হয়ে তৃতীয় উইকেটে এটিই সর্বোচ্চ রানের জুটি। আজগর আফগান ও হযরতউল্লাহ জাজাইয়ের ১১৬ রানের রেকর্ড ভেঙেছেন রাসুলি ও ইব্রাহিম।