ঘটনার শুরু পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) নিলাম থেকে। সেখানে শুরুতে উপেক্ষিত হওয়ার পর মুজারাবানিকে বদলি হিসেবে দলে নেয়ার ঘোষণা দেয় ইসলামাবাদ ইউনাইটেড। পরে জানা যায়, প্রায় এক কোটি দশ লাখ রুপির চুক্তিতে তাকে নেয়া হয়েছে।
তবে কিছুদিনের মধ্যেই তিনি সেই প্রস্তাব থেকে সরে দাঁড়িয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সের সঙ্গে যুক্ত হন। এই প্রসঙ্গে প্রকাশিত বিবৃতিতে মুজারাবানির এজেন্সির বক্তব্য, 'গত কয়েক সপ্তাহ আমরা চুপ ছিলাম, কারণ আমরা আর কোনো বিরূপ পরিস্থিতি তৈরি করতে চাইনি। কিন্তু যেভাবে তাকে নিয়ে সমালোচনা করা হয়েছে, তাতে আমাদের কথা বলা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।'
তারা আরও বলেছে, 'ইসলামাবাদ ইউনাইটেড তাকে দলে নেওয়ার আগ্রহ দেখালেও কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তিপত্র দেয়নি। কেবল সামাজিক মাধ্যমে ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, যা চুক্তি হিসেবে ধরা যায় না।'
এজেন্সির দাবি, জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের অনাপত্তিপত্র ছাড়া এই লিগে খেলা সম্ভব ছিল না। আর সেই অনাপত্তিপত্র পাওয়ার জন্য প্রয়োজন ছিল বৈধ চুক্তি। তারা বলেছে, 'চুক্তিপত্র না থাকলে অনাপত্তিপত্র পাওয়া যায় না। অথচ দুই সপ্তাহ পার হলেও কোনো চুক্তি দেওয়া হয়নি।'
এর মধ্যেই কলকাতা নাইট রাইডার্স দ্রুত যোগাযোগ করে এবং মুজারাবানির সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করে। বিবৃতিতে তারা স্পষ্ট করে জানায়, 'যে চুক্তি কখনোই পাওয়া যায়নি, সেটি ভঙ্গ করার প্রশ্নই ওঠে না।'
পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) দেয়া শাস্তিকেও কঠোর বলে মনে করছে সংস্থাটি। তাদের বক্তব্য, 'এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা অত্যন্ত বেশি এবং অতীতে যারা সত্যিই চুক্তি ভেঙেছে, তাদের ক্ষেত্রেও এমন শাস্তি দেয়া হয়নি।'
শেষ পর্যন্ত সংস্থাটি বোর্ডকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, 'এটি আসলে প্রশাসনিক ভুল ছাড়া আর কিছু নয়। তাই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়াই উচিত।'