পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) গত আসরে পেশোয়ারের স্কোয়াডে ছিলেন নাহিদ। তবে দলের সমন্বয়ের কারণে অভিষেক হয়নি ডানহাতি পেসারের। তবে চলতি মৌসুমে হায়দরাবাদ কিংসম্যানের বিপক্ষে প্রথমবার পিএসএল খেলতে নামেন তিনি। পাকিস্তানের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি। প্রথম ম্যাচে ৩ ওভারে ৩০ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। দ্বিতীয় ম্যাচেই অবশ্য আগুনে বোলিং করেন নাহিদ।
করাচি কিংসের বিপক্ষে মাত্র ৭ রান খরচায় নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। লাহোর কালান্দার্সের বিপক্ষেও দুর্দান্ত ছিলেন তিনি। ২ উইকেট নিতে খরচা করেন ১৫ রান। নাহিদের মতো এত বেশি উইকেট না পেলেও পেশোয়ারের পেস বোলিং বিভাগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন শরিফুল। ৪ ম্যাচে মাত্র দুইটি উইকেট পেলেও মিত্যবয়ী বোলিং করছেন বাঁহাতি এই পেসার।
নাহিদ ও শরিফুলকে নিয়ে জেপি ডুমিনি বলেন, ‘পেশোয়ারের পেস বোলিংয়ে নাহিদ রানার কথা বলতে পারেন। সে দুর্দান্ত। শুধু পেসের ক্ষেত্রেই নয় এমন পেসেও তার যে নিয়ন্ত্রণ এটা দারুণ ব্যাপার। বাংলাদেশের আরেকজন শরিফুল। তাদের জুটি হিসেবে চিন্তা করলে খুবই ভালো করছে। তারা দুজনই চাপের মুখে উইকেট তুলে নিচ্ছে। যখনই দলের প্রয়োজন হয়েছে তখনই সামনে থেকে তারা সেটা দারুণভাবে করেছে। বোলিংয়ের দিক থেকে পেশোয়ারের জন্য পারফেক্ট পারফরম্যান্স।’
প্রথমবার পিএসএলে ম্যাচ পেয়েই বাজিমাত করছেন নাহিদ। টি-টোয়েন্টির মতো সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের হয়ে ওয়ানডেতেও পারফর্ম করছেন তিনি। গতিময় বোলিংয়ে টেস্টেও প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের ভয় ধরাচ্ছেন ডানহাতি এই পেসার। ডুমিনি মনে করেন, শুধু টি-টোয়েন্টিতে নয় সব ফরম্যাটেই ব্যাটারদের সমস্যা তৈরি করবেন নাহিদ।
সাউথ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার বলেন, ‘সে (নাহিদ) যে ধরনের গতিময় বোলিং করছে তার উপর আপনি নজর রাখতে পারেন। শুধু টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট নয় তার বোলিংয়ে যে ধরনের নিয়ন্ত্রণ ও গতি আছে সেটা দিয়ে সব ফরম্যাটেই (ব্যাটারদের) সমস্যা তৈরি করতে পারে।’