যেখানে শাদাব ৭ কোটি, গুস ১.৪ কোটি এবং সালমানকে ১ কোটি ২০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে রিটেইন করেছে তারা। যদিও নাসিম শাহ, সাহিবজাদা ফারহান, সালমান আলী আঘা, মোহাম্মদ নাওয়াজ, ইমাদ ওয়াসিম, আজম খান, হায়দার আলীর মতো ক্রিকেটারদের ছেড়ে দিয়েছে ইসলামাবাদ। গত মৌসুমে খেলা ক্রিকেটারদের মধ্য থেকে হাসান আলী (প্লাটিনাম), খুশদিল শাহ (গোল্ড), আব্বাস আফ্রিদি (ডায়মন্ড) এবং সাদ বেগকে ইমার্জিং ক্যাটাগরি থেকে রিটেইন করেছে করাচি কিংস।
শান মাসুদ, আমের জামাল, শাহনেওয়াজ দাহানির মতো ক্রিকেটারদের ছেড়ে দিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। আবরার আহমেদ, উসমান তারিক, হাসান নাওয়াজ ও শ্যামল হোসেনের মতো ক্রিকেটারদের রিটেইন করলেও মোহাম্মদ আমির, রাইলি রুশো, মার্ক চ্যাপম্যান, খাওয়াজা নাফে, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়রদের ছেড়ে দিয়েছে কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স। পিএসএলের গত আসরে লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলেছেন রিশাদ হোসেন।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে বল হাতে আলো ছড়িয়ে ৭ ম্যাচে নিয়েছিলেন ১৩ উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পরও বাংলাদেশের লেগ স্পিনারকে রিটেইন করেনি বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। টুর্নামেন্টের আগামী আসরের নিলামের আগে শাহীন শাহ আফ্রিদি, সিকান্দার রাজা, আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ নাইমকে রিটেইন করেছে তারা। ফখর জামান, হারিস রউফ, জামান খান এবং সালমান মির্জার মতো ক্রিকেটারদের ছেড়ে দিয়েছে লাহোর।
পাকিস্তান জাতীয় দলে নিয়মিত হলেও সাইম আইয়ুবকে ছেড়ে দিয়েছে পেশাওয়ার জালমি। ছেড়ে দেয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত বাবর আজমকে ধরে রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। বাবরের পাশাপাশি সুফিয়ান মুকিম, আব্দুল সামাদ ও আলী রাজাকে ধরে রেখেছে পেশাওয়ার। পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজিদের মধ্যে কেবল মুলতান সুলতান্স কাউকে রিটেইন করবে না। নতুন দল দুইটির মধ্যে শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্স স্টিভ স্মিথের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করেছে।
নিলামের আগে ডেভন কনওয়েকে ৬ কোটি ৩০ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে সরাসরি দলে নিয়েছে ইসলামাবাদ। করাচি দলে টেনেছে মঈন আলীকে।
পিএসএলের ৮ দলের রিটেইন ক্রিকেটারের তালিকা:
ইসলামাবাদ ইউনাইটেড— শাদাব খান (৭ কোটি), সালমান ইরশাদ (১.২ কোটি), আন্দ্রিস গুস (১.২ কোটি), ডেভন কনওয়ে (৬.৩ কোটি, সরাসরি চুক্তি))
শিয়ালকোট স্ট্যালিয়ন্স— স্টিভ স্মিথ (সরাসরি চুক্তি)।
করাচি কিংস— খুশদিল শাহ (৩.৩৬ কোটি), হাসান আলী (৪.৭৬ কোটি), সাদ বেগ (৬০ লাখ), আব্বাস আফ্রিদি (৩.০৮ কোটি), মঈন আলী (৬.৪৪ কোটি, সরাসরি চুক্তি)
কোয়েটা গ্লাডিয়েটর্স— আবরার আহমেদ (৭ কোটি), উসমান তারিক (৫.৬ কোটি), হাসান নাওয়াজ (৩.৯২ কোটি), শ্যামল হোসেন (৮৪ লাখ)।
লাহোর কালান্দার্স— শাহীন শাহ আফ্রিদি (৭ কোটি), সিকান্দার রাজা, আব্দুল্লাহ শফিক ও মোহাম্মদ নাইম।
পেশাওয়ার জালমি— বাবর আজম (৭ কোটি), সুফিয়ান মুকিম (৪.৪৮ কোটি), আব্দুল সামাদ (২.৮ কোটি) এবং আলী রাজা (১.৯৬ কোটি)।
মুলতান সুলতান্স—
কিংসম্যান হায়দরাবাদ—