রিশাদকে ইংল্যান্ডে খেলাতে চান বিলিংস

বিপিএল
রিশাদ হোসেন (বামে) ও স্যাম বিলিংস (ডানে)
রিশাদ হোসেন (বামে) ও স্যাম বিলিংস (ডানে)
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ইংল্যান্ডের ভাইটালিটি ব্লাস্টে কেন্টের হয়ে খেলেন স্যাম বিলিংস। একই দলের জার্সিতে রিশাদ হোসেনকে খেলাতে চেয়েছিলেন ইংল্যান্ডের উইকেটকিপার ব্যাটার। গত মৌসুমে চেষ্টা করলেও বাংলাদেশের লেগ স্পিনারকে নিতে পারেননি তিনি। কেন্টের অধিনায়ক হওয়ায় আগামী আসরে রিশাদকে পাওয়ার আশায় বুক বাঁধছেন বিলিংস।

২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বল হাতে আলো ছড়িয়ে আলোচনায় আসেন রিশাদ। পরবর্তী সময়ে জাতীয় দলের হয়ে নিয়মিত পারফর্ম করায় সবার নজরে এসেছেন। আইপিএলে দল না পেলেও গত বছর লাহোর কালান্দার্সের হয়ে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) খেলেছেন রিশাদ। খেলার কথা ছিল বিগ ব্যাশেও। তবে এনওসি না পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার টুর্নামেন্টে খেলা হয়নি ডানহাতি লেগ স্পিনার।

এবার অবশ্য বিপিএল বাদ দিয়ে বিগ ব্যাশ খেলতে গেছেন রিশাদ। হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে বল হাতে আলোও ছড়াচ্ছেন তিনি। একই টুর্নামেন্টে সিডনি থান্ডারের হয়ে খেলেছেন বিলিংস। তাঁর দল গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেয়ায় সিলেট টাইটান্সের হয়ে বিপিএল খেলতে বাংলাদেশে এসেছেন। ঢাকায় আসার আগে রিশাদের সঙ্গে কথা হয়েছে বিলিংসের। তাকে বাংলাদেশে আসতে দেখে খুশি তিনি।

চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে সেই গল্প শুনিয়েছেন বিলিংস। ইংলিশ উইকেটকিপার ব্যাটার বলেন, ‘রিশাদের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। ও খুব খুশি যে বাংলাদেশে আমি বিপিএল খেলতে এসেছি।’ পাশাপাশি ক্রিকেটার হিসেবে রিশাদকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বিলিংস। শুধু তাই নয় গত বছরের অজানা এক গল্পের কথাও বলেছেন তিনি।

ভাইটালিটি ব্লাস্টে খেলানোর জন্য রিশাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল কেন্ট। তবে জাতীয় দলের ব্যস্ততা ও নানান কারণে ইংল্যান্ডের টুর্নামেন্টে খেলতে যেতে পারেননি তিনি। তবে কেন্টের অধিনায়ক হওয়ায় রিশাদকে খেলানোর আশা ছাড়ছেন না বিলিংস। ইংলিশ ক্রিকেটারের আশা, আগামী মৌসুমে খেলতে পারবেন রিশাদ।

তিনি বলেন, ‘সে অসাধারণ ক্রিকেটার। গতবার ভাইটালিটি ব্লাস্টে ওকে খেলাতে চেয়েছিলাম। কোনো কারণে হয়নি। এবার কেন্টের অধিনায়ক আমি। আশা করি ও খেলতে পারবে।’

২০২৩ সালে প্রথমবার রংপুরের হয়ে বিপিএল খেলতে এসেছিলেন বিলিংস। সেবার অবশ্য এক ম্যাচে এক রান করেছেন। সেই মৌসুমে তাসকিন আহমেদকে মনে ধরেছিল তাঁর। আবারও বিপিএল খেলতে এসে নাহিদ রানার প্রতি মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। বিলিংসের বিশ্বাস প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বোলিংয়ের পাশাপাশি স্লোয়ার শিখতে পারলে নাহিদ দারুণ বোলার হয়ে উঠবে।

বিলিংস বলেন, ‘বাংলাদেশের পেস বোলিং প্রতিভা অনেক। প্রথমবার যখন এসেছিলাম তখন তাসকিনকে দেখেছি, এবার নাহিদ রানাকে দেখলাম। ওকে খেলা বেশ কঠিন। প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বল করছে। এর সাথে স্লোয়ার আয়ত্ত করতে পারলে নাহিদ দারুণ বোলার হয়ে উঠবে।’

আরো পড়ুন: