আইসিসির মিটিংয়ে ভোটে হেরে গেল বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
জয় শাহ ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল
জয় শাহ ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার বিসিবির অনুরোধ নিয়ে আলোচনা করতে আইসিসি বুধবার একটি বোর্ড সভা ডাকে। বহুল প্রতিক্ষিত সভাটি অনুষ্ঠিত হয় ভার্চুয়ালি। সেখানে যোগ দেন বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। আইসিসির সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি, বিসিসিআই সচিব দেবজিত সাইকিয়াসহ অন্যান্য বোর্ডের প্রতিনিধিরা। আইসিসির প্রতিনিধিত্ব করছেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী, হেড অব ইভেন্টস ও লিগ্যাল অফিসার।

সভায় আইসিসি স্পষ্টভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) জানিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশ ভারতে খেলতে যাবে কি যাবে না এই ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনা করতে। বাংলাদেশ যদি ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের নির্ধারিত ম্যাচ খেলতে ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়ে যায়, তাহলে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের জায়গায় অন্য একটি দলকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

এই সিদ্ধান্ত কোনো অনানুষ্ঠানিক সতর্কতা নয়। বিষয়টি আইসিসি বোর্ড সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটাভুটির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। বোর্ডের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা বাংলাদেশের বদলে বিকল্প দল রাখার পক্ষে ভোট দিয়েছেন। অর্থাৎ আইসিসির অবস্থান এখন প্রাতিষ্ঠানিক এবং দৃঢ়।

বাংলাদেশকে ভোট দিয়েছে শুধু পাকিস্তান। তবে বাংলাদেশের জন্য শেষ সুযোগ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বিসিবিকে আরও এক দিনের সময় দেয়া হয়েছে—এই সময়ের মধ্যে ভারত গিয়ে বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার বিষয়ে নিজেদের চূড়ান্ত অবস্থান আইসিসিকে জানাতে হবে। এর অর্থ, বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বর্তমান এই পরিস্থিতি।

যদি বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকে এবং ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানায়, তাহলে গ্রুপ ‘সি’-তে বাংলাদেশের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। যদিও বাস্তবতা হলো—স্কটল্যান্ড মূল বাছাইপর্বে ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি।

ইউরোপিয়ান কোয়ালিফায়ারে তারা নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও জার্সির পেছনে থেকে বাদ পড়েছিল। তবু আইসিসির কাঠামো অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে স্কটল্যান্ডই সবচেয়ে সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরো পড়ুন: