হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে জিতল রংপুর

বিপিএল
সেঞ্চুরির পথে বড় খেলছেন হৃদয়, রংপুর রাইডার্স
সেঞ্চুরির পথে বড় খেলছেন হৃদয়, রংপুর রাইডার্স
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
আগের ম্যাচে ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে প্লে অফের টিকিট কেটেছে রংপুর রাইডার্স। শেষ ম্যাচে জিতলে সেরা দুইয়ে থাকার সম্ভাবনা তৈরি হবে। এমন সমীকরণের ম্যাচে নোয়াখালী এক্সপ্রেসকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে রংপুর রাইডার্স। আগে ব্যাট করে হাসান ইসাখীলের সেঞ্চুরিতে ভর করে ১৭৩ রান করে নোয়াখালী। জবাবে তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরিতে ২ বল হাতে রেখেই সেই লক্ষ্য পেরিয়ে যায় রংপুর।

বড় লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিলেন তাওহীদ হৃদয়। অন্যদিকে ডেভিড মালান ছিলেন একটু শান্ত। দুজনের ব্যাটে ৬ ওভারেই ৫০ রান তুলে নেয় রংপুর। মালানের রান যখন ৭ এর মধ্যেই হৃদয় হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন মাত্র ২৭ বলে।

কিছুক্ষণ পরই মালানকে হারায় রংপুর। ১৭ বলে ১৫ রান করে তিনি জহির খানের বলে ক্যাচ দিয়েছেন ইসাখীলকে। শর্ট কাভার দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে তিনি আউট হয়েছেন। দলীয় ৭৮ রানে নিজেদের প্রথম উইকেট হারায় রংপুর। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে রংপুরের হাল ধরেন হৃদয়। তাকে নিয়েই রংপুর ৫৭ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন।

শেষদিকে ৬৩ বলে ১০৯ রান করা হৃদয় বোল্ড হয়েছেন নোয়াখালীর পেসার হাসান মাহমুদের বলে। এরপর জয় পেতে আর কোনো বেগ পেতে হয়নি রংপুরকে। লিটন-নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে ৮ উইকেটের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রংপুর।

এই ম্যাচে টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় নোয়াখালী। তারা ৩৬ রানের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে ফেলে। এরপর বাকি সময়টা ছিল ইসাখীলের। আফগানস্তানের এই ব্যাটার অধিনায়ক হায়দার আলীকে নিয়ে ১৩৭ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে নোয়াখালীকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য এনে দেন।

নিজের প্রথম ম্যাচে ৬০ বলে ৯২ রানের ইনিংস খেলেন ইসাখীল। পরের ম্যাচে ২৫ রান করে ফেরেন তিনি। নিজের তৃতীয় ম্যাচেই সেঞ্চুরি করে আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন তিনি। ইসাখীলের ৭২ বলে ১০৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ১৭৩ রানের পুঁজি পায় নোয়াখালী। এই ইনিংস খেলার পথে ১১টি ছক্কা ও ৪টি চার মেরেছে ইসাখীল।

পাশাপাশি ৩২ বলে ৪২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন হায়দার। তিনি এক ছক্কা ও ৩টি চার মারেন। রংপুরের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন নাহিদ রানা ও আলিস আল ইসলাম।

আরো পড়ুন: