এ ছাড়া প্রধান কোচের দায়িত্ব পান মিজানুর রহমান বাবুল। নতুন ম্যানেজমেন্টের অধীনে বিপিএলের শুরু থেকেই দারুণ খেলেছে চট্টগ্রাম। সিলেট পর্বে ৭ ম্যাচে পাঁচটিতেই জিতেছে চট্টগ্রাম। তারা পয়েন্ট টেবিলে দুইয়ে থেকে ঢাকা পর্বে খেলতে নামবে। দলটির সাফল্যের অন্যতম নায়ক ছিলেন অ্যাডাম রসিংটন।
অবশ্য এই ইংলিশ উইকেটরক্ষক ব্যাটার ৬ ম্যাচে ২৫৮ রান করেন। তবে আঙুলের চোটের কারণে বিপিএল থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। রসিংটনের ছিটকে যাওয়া দলটির জন্য বড় ধাক্কা বলে জানিয়েছেন বাশার। তার বিকল্প খুঁজে পেতে ফিল সল্ট ও অ্যাডাম লাথামের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।
বাশার বলেন, 'রসিংটন যেভাবে ব্যাটিং করত ওকে ঘিরেই আমাদের বাকি ব্যাটিংটা আবর্তিত হতো। নাঈম শেখও ওকে পাশে পেয়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করত। ওর না থাকাটা আমাদের অনেক বড় ধাক্কা। কিন্তু আমরা এটা নিয়ে খুব বেশি ভাবছি না কারণ এছাড়া আমাদের আর বিকল্প নেই। বিকল্প খেলোয়াড় নিতেই হবে।'
পাকিস্তানের ব্যাটার মোহাম্মদ হারিসের সঙ্গে তাদের কথা হচ্ছে বলে জানিয়ে বাশার বলেন, 'আমরা লাথাম, ফিল সল্টসহ বেশ কিছু বড় খেলোয়াড়দের চেষ্টা করেছি কিন্তু তাদের এখন পাওয়া যাবে না। এই মুহূর্তে আমরা মোহাম্মদ হারিসের সাথে কথা বলছি, পাকিস্তানের ওপেনিং ব্যাটসম্যান এবং উইকেটরক্ষক। ওর সাথে মোটামুটি কথা এগিয়েছে। সম্ভবত হারিস চলে আসবে।'
বিপিএলের গত আসরে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নিয়ে অনেক আলোচনা সমালোচনা হয়েছিল। তবে এবার আর সেই ভাবনায় পড়তে হচ্ছে না ক্রিকেটারদের। সব দলই যথা সময়ে নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক পরিশোধ করেছে। তেমনি বিসিবি দায়িত্বে থাকায় চট্টগ্রামের ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নিয়ে চিন্তা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
বাশারের ভাষ্য, 'আমরা অনেক বেশি সন্তুষ্ট। চট্টগ্রাম রয়্যালসের পারিশ্রমিক বিসিবি পরিশোধ করছে। বিসিবির পরিশোধে অনেক নথিপত্রের কাজ থাকে। ফ্র্যাঞ্চাইজি পরিশোধে মালিক চেক দিলে টাকা পাওয়া যায় কিন্তু বিসিবিতে ব্যাংকিং লেনদেনসহ অনেক প্রক্রিয়া থাকে। আমরা নগদ অর্থে পরিশোধ করতে পারি না। এজন্য একটু সময় লাগে। তবে খেলোয়াড়রা জানে টাকাটা নিশ্চিত পাবে।'