১৭৯ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে তানজিদ হাসান তামিম তিন রানে ফিরলেও ওয়াসিম এবং শান্তর ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় রাজশাহী। পাওয়ার প্লে'তে দলটি তোলে এক উইকেটে ৬২ রান। দলীয় ১০ ওভারে রাজশাহী সংগ্রহ করে এক উইকেটে ৯৬ রান। ৩২ বলে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান ওয়াসিম।
ওয়াসিমের পর হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত। ২৮ বলে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান রাজশাহীর অধিনায়ক। দলকে জয়ের কাছাকাছি রেখে ফিরে যান শান্ত। ৪২ বলে ৭৬ রানের ঝড়ো ইনিংসে ছিল ছয়টি চার ও চারটি ছক্কার মার। মুস্তাফিজুর রহমানের শর্ট লেংথে করা অফ কাটারে পুল করতে গিয়ে ডিপ মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন দলটির অধিনায়ক। ফেরার আগে ওয়াসিমের সঙ্গে ১৪২ রানের জুটি গড়েন তিনি।
জিমি নিশাম দুই বলে এক রান করে ফিরে গেলেও জয় পেতে তেমন কষ্ট হয়নি রাজশাহীর। দীর্ঘসময় উইকেটে থেকে ৫৯ বলে ৮৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে রাজশাহীর জয় নিশ্চিত করেন ওয়াসিম। সঙ্গে পাঁচ বলে সাত রানে অপরাজিত থাকেন বার্ল।
এর আগের ইনিংসে রংপুরের হয়ে পাওয়ার প্লে রাঙান তাওহীদ হৃদয়। ছয় বলে আট রান করে ফিরে যান কাইল মেয়ার্স। পাওয়ার প্লে'র ছয় ওভারে এক উইকেটে ৫৪ রান করেন রংপুরের ব্যাটাররা। লিটন দাস রয়েসয়ে খেললেও তাওহীদ হৃদয় আগ্রাসী ভঙ্গিমায় ব্যাট চালাতে থাকেন।
২৯ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ৫৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় রংপুর। পাওয়ার প্লে শেষ হওয়ার পরের ওভারেই লামিচানের বলে ফিরে যান লিটন দাস। লামিচানের ফুল লেংথের টসড আপ ডেলিভারিতে হুক করতে গিয়ে পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন লিটন দাস।
তারপর হৃদয়ের সঙ্গে জুটি গড়তে ব্যর্থ হন ইফতিখার আহমেদ। ১৫ বলে আট রান করে তানজিম হাসান সাকিবের বলে ফিরে যান পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার।
১৫ ওভারের মধ্যে দলীয় শতকে পৌঁছায় রংপুরের সংগ্রহ। ৩৯ বলে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান হৃদয়। ৭২ রানে তিন উইকেট পড়ার পর খুশদিল শাহকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন হৃদয়। হাফ সেঞ্চুরির পর আরো আগ্রাসী হয়ে ওঠেন এই ব্যাটার। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাট চালাতে থাকেন খুশদিলও।
১৯.৪ ওভারে এই দুজনের ১০৫ রানের বিশাল জুটিটি ভাঙেন জিমি নিশাম। ২৯ বলে ৪৪ রান করে ফিরে যান খুশদিল শাহ। সেঞ্চুরির জন্য ইনিংসে শেষ বলে তিন রান দরকার ছিল হৃদয়ের। কিন্তু সেটি নিতে পারেননি তিনি। শেষ পর্যন্ত ৫৬ বলে ৯৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন হৃদয়। রংপুর তোলে চার উইকেটে ১৭৮ রান।