অ্যাশেজে চার টেস্টের ৮ ইনিংসে ব্যাটিং করে ২৮৬ রান করেছেন স্মিথ। একটি সেঞ্চুরির সঙ্গে একটি হাফ সেঞ্চুরিও আছে ডানহাতি ব্যাটারের। এ ছাড়া প্যাট কামিন্সের চোটে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। স্মিথের নেতৃত্বে ইংল্যান্ডকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়ে অ্যাশেজ জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
অ্যাশেজ পরবর্তী সময়ে জাতীয় দলের ব্যস্ততা নেই স্মিথের। যার ফলে বিগ ব্যাশ খেলতে সিক্সার্সের স্কোয়াডে যোগ দিয়েছেন ডানহাতি ব্যাটার। হোবার্টের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিলেন প্রথম ম্যাচে। যেখানে একটি করে চার ও ছক্কায় ১৬ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা। তাকে সঙ্গ দেয়া বাবর আজম ১৪ বলে ৯ রান করেছেন।
বিনা উইকেটে ৫ ওভারে ৩২ রান তোলার পর সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে হানা দেয় বৃষ্টি। এমন অবস্থায় দৌড়ে মাঠ ছাড়েন স্মিথ ও বাবর। পরবর্তীতে বৃষ্টি না থামায় ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছেন ম্যাচ অফিসিয়ালরা। একটি করে পয়েন্ট পেয়েছে দুই দল। ৯ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সবার আগে তাই প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে হোবার্ট।
বিপরীতে ৮ ম্যাচে ৪ জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তিনে সিক্সার্স। হোবার্টের প্লে-অফে ওঠার পেছনে বল হাতে বড় অবদান রেখেছেন রিশাদ। বাংলাদেশের তরুণ লেগ স্পিনার ৯ ম্যাচ খেলে নিয়েছেন ১১ উইকেট। দলটির হয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক তিনি। রিশাদের চেয়ে বেশি উইকেট আছে নাথান এলিসের (১২)।
উইকেট নেয়ার পাশাপাশি মিতব্যয়ীও ছিলেন রিশাদ। পুরো আসরে ৭.৬৩ ইকোনমি রেটে বোলিং করেছেন ডানহাতি লেগ স্পিনার। গত ম্যাচে বাংলাদেশের সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। বিগ ব্যাশে বাংলাদেশের ক্রিকেটার হিসেবে সবচেয়ে বেশি ৯ উইকেট ছিল সাকিবের। এখন সেটা রিশাদের দখলে।