বাংলাদেশকে একটা ট্রফি এনে দিতে চাই: হাসান মাহমুদ

বিপিএল
ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে কথা বলছেন হাসান মাহমুদ
ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে কথা বলছেন হাসান মাহমুদ
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
বিপিএলের প্রথম ছয় ম্যাচের সবকটিতেই হারে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। বারবারই একরাশ হতাশা নিয়ে সিলেট থেকে ফিরতে হয় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির সমর্থকদের। যদিও শেষ ম্যাচে রংপুর রাইডার্সকে হারিয়ে হারের বৃত্ত থেকে বের হয় খালেদ মাহমুদ সুজনের শিষ্যরা। চলতি বিপিএলে সেরা চারে থাকার সম্ভাবনা একেবারেই ক্ষীণ তাদের জন্য। আপাতত জয় ছাড়া কিছুই ভাবছেন না হাসান মাহমুদ।

রংপুরের বিপক্ষে আগে ব্যাটিং করে সৌম্যের ৩১, জাকের আলী অনিকের ৩৮, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের ২৮ ও হাবিবুর রহমান সোহানের ৩০ রানের ইনিংসে ১৪৮ রানের পুঁজি পায় নোয়াখালী। পরবর্তীতে প্রথম জয় পেতে বাকি কাজটা সেরেছেন বোলাররা। বিশেষ করে হাসান ছিলেন দুর্দান্ত। চার ওভারে মাত্র ২৬ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে হয়েছেন ম্যাচসেরা।

ক্রিকফ্রেঞ্জিকে হাসান বলেন, 'খুবই আনন্দের ছিল জয়টা। বিগত ম্যাচগুলোতে আমরা জিততে পারিনি, এটা খুবই দুঃখজনক আমাদের জন্য। কিন্তু অবশ্যই নোয়াখালীর ভক্তরা যেভাবে আমাদেরকে সমর্থন করে গেছে সেটা দারুণ। শেষদিন তারা অবশ্যই অনেক উদযাপন করেছে। আমরা চাইব যে পরের ম্যাচগুলোতেও সমর্থকরা যেন আসে, আমাদের সমর্থন করে এবং আমরা যেন তাদেরকে জয় উপহার দিতে পারি।'

নিজের বোলিং নিয়ে হাসান মাহমুদ বলেন, 'অনেক অনুশীলন করেছি নতুন বলে সুইং আনার জন্য, লাইন-লেংথ ঠিক রাখার জন্য অনেক অনুশীলন করেছি। তো এটা আলহামদুলিল্লাহ সফল হয়েছে। খুবই ভালো লাগতেছে যে একটা ম্যাচ জেতানো বোলিং করতে পেরেছি দলের জন্য, কিছু একটা করতে পেরেছি। একইসাথে নোয়াখালীবাসীর জন্য কিছু একটা করতে পেরেছি।'

বিপিএলের নিলামের কয়েক দিনে আগে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হিসেবে যুক্ত করা হয় নোয়াখালীকে। প্রথমবার বিপিএলে দল পাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই বেশ রোমাঞ্চিত ছিলেন শহরটির সমর্থকরা। নিলামের আগে সৌম্য, হাসান, কুশল মেন্ডিস ও জনসন চার্লসের মতো ক্রিকেটারদের দলে টানায় ভালো পারফরম্যান্সের স্বপ্নে বিভোর ছিলেন তারা। চোটের কারণে বিপিএল খেলতে আসেননি মেন্ডিস।

অজানা কারণে নোয়াখালীর হয়ে দেখা যায়নি চার্লসকে। ব্যক্তিগত কারণে চারটি ম্যাচ খেলতে পারেননি সৌম্যও। এমন অবস্থায় একের পর এক হারে বিপাকে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। অথচ দলটিকে সমর্থন দিতে নোয়াখালী শহর থেকে বাস নিয়ে সিলেট শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন দর্শকরা। সেরা চারে যাওয়ার সমীকরণ কঠিন হলেও প্রত্যেকটা ম্যাচে জয়ের জন্যই মাঠে নামতে চান হাসান।

'নোয়াখালীদের শুধু ধন্যবাদ দিলেও শেষ হবে না। ওদেরকে শুধু বলব যে ওরা আমাদের এইভাবে সমর্থন করে যাক। আর আপনারা একটা খেলাও মিস করবেন না, সব খেলায় আইবেন (আসবেন) মাঠে দেখতে।'

এদিকে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দলে নেই হাসান মাহমুদ। এবার দলে না থাকার হতাশা কাজ করছে হাসানের মনে। সুযোগ পেলে বাংলাদেশকে বড় কোনো ট্রফি এনে দেয়ার কথাও জানান তিনি।

হাসান আরো বলেন, 'আমি বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আরও দিতে চাই। আমি খেলতে চাই যতদিন থাকব ডমিনেট (দাপট দেখাতে) করতে চাই। ফাস্ট বোলিং ইউনিটটাকে আরও শক্তিশালী করতে চাই, একসাথে দলের জন্য বড় কিছু দিতে চাই, একটা ট্রফি এনে দিতে চাই।'

আরো পড়ুন: