বিগ ব্যাশের সবশেষ আসরে হোবার্ট হারিকেন্সের হয়ে খেলার কথা ছিল রিশাদের। তবে বিপিএলের সঙ্গে সূচির সাংঘর্ষিক হওয়ায় অল্প কয়েক দিনের ছাড়পত্র পেয়েছিলেন তিনি। মাত্র কয়েক দিনের ছাড়পত্র পাওয়ায় অস্ট্রেলিয়ার টুর্নামেন্টে খেলতে যাওয়া হয়নি ডানহাতি লেগ স্পিনারের। বিগ ব্যাশের চলতি মৌসুমের আগেও ড্রাফট থেকে তাকে দলে নেয় হোবার্ট। এবার অবশ্য মিস করেননি তিনি।
অস্ট্রেলিয়ার টুর্নামেন্টে খেলতে বিপিএলে খেলছেন না রিশাদ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও (বিসিবি) তাকে পুরো মৌসুমের জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে। প্রথমবার বিগ ব্যাশ খেলতে গিয়েই বাজিমাত করেছেন তিনি। এখনো পর্যন্ত ৮ ম্যাচ খেলে ১১ উইকেট নিয়েছেন ডানহাতি লেগ স্পিনার। চলতি আসরে হোবার্টের হয়ে রিশাদের চেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন কেবল নাথান এলিস (১২ উইকেট)। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বিশ্লেষকদের প্রশংসা পাচ্ছেন রিশাদ।
বিপিএল বাদ দিয়ে ডানহাতি লেগ স্পিনারের বিগ ব্যাশ খেলার সিদ্ধান্তকে সঠিক মনে করছেন মঈন। ইংল্যান্ডের অলরাউন্ডারের বিশ্বাস, অস্ট্রেলিয়ার টুর্নামেন্টে খেলে রিশাদ অনেক কিছু শিখবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য বাংলাদেশের জার্সিতে ভালো ক্রিকেটার হয়ে উঠবেন। পাশাপাশি তাকে বাংলাদেশের ভবিষ্যত তারকা হিসেবেও দেখছেন তিনি।
মঈন আলী বলেন, ‘আমি মনে করি রিশাদের বিগ ব্যাশে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা সঠিক। ওইখানে খেলে সে আরও বেশি শিখবে এবং ভবিষ্যতে বাংলাদেশের জন্য ভালো খেলোয়াড় হয়ে উঠবে। লেগ স্পিনার হিসেবে সে এখনো তরুণ, তবে খুবই প্রতিভাবান। আমার মনে হয়, সে বাংলাদেশের পরবর্তী বড় তারকাদের একজন হবে। সে দারুণ একজন বোলার। নিজের নামটা গড়ে তুলতে হবে। বিপিএল মিস করাটা দুঃখজনক, কিন্তু এটা তাঁর এবং বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ভালোই হবে বলে আমি মনে করি।’
একটা সময় বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মাশরাফি বিন মুর্তজা, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদরা। জাতীয় দলের হয়ে এখনো টেস্ট খেলছেন মুশফিকুর রহিম। তাদের সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে নিজেদের ইতিহাসের সেরা সময় পার করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিমের মতো ক্রিকেটার থাকলেও তাদের কেউই সাকিব-তামিমের মানের না বলে মনে করেন মঈন।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় বাংলাদেশের এখনো অনেক ভালো ক্রিকেটার আছে। কিন্তু ওই (সাকিব-তামিম) মানের নেই। আমার মনে হয় এটাই বাংলাদেশের সমস্যা। একটা পর্যায় পর্যন্ত তাদের ভালো ক্রিকেটার আছে। কিন্তু তাদের এখন বিশ্ব মানের ক্রিকেটার নেই।’