সবগুলো ফ্র্যাঞ্চাজিকে রাখা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরের মধ্যে। তবে ঢাকা ক্যাপিটালস অভিযোগ করেছে অনুমতি ছাড়াই দলটির ওপেনার রহমানউল্লাহ গুরবাজের রুমে ঢুকে গিয়েছিলেন আকু কর্মকর্তারা। সেই সঙ্গে দলটির আরেক ব্যাটার সাইফ হাসানকে ব্যাটিংয়ে নামার ঠিক আগে জেরা করা হয়েছে। এই বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন দলটির প্রধান নির্বাহী আতিক ফাহাদ।
কড়াকড়ি থাকলেও সঠিক নিয়মের মধ্যে থেকে যেন আকু নিজেদের কাজ করে সেই নিশ্চয়তা চান রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের প্রধান কোচ হান্নান সরকার। তিনি কোচ হিসেবে কখনই ব্যাটিংয়ে নামার আগে কোনো ক্রিকেটারকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিতেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে হান্নান বলেন, 'এটা আমার কাছেও অদ্ভুত লাগছে। অবশ্যই নিয়মের মধ্যে হতে হবে। নিশ্চিতভাবেই কারো রুমে বা মোবাইল সার্চ করার অধিকার তাদের আছে, তবে সেটার একটা নিয়ম আছে। ম্যানেজারকে জানিয়ে করে সেটা করতে হয়। যদি করে থাকে তাহলে এটা নিয়ে কোনো প্রশ্ন আসা উচিত না। আর খেলার মধ্যে যদি কেউ প্যাড আপ করে তৈরি থাকে তার কাছে যদি এন্টি করাপশন আসতে চায় তাহলে ম্যানেজার হয়ে আমার কাছে আসতে হবে। আমার দলের যদি এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় প্রধান কোচ হিসেবে আমি এটা মেনে নেব না। ম্যাচ শেষে তারা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।'
এরই মধ্যে জব্দ করা হয়েছে ঢাকা ক্যাপিটালসের প্রধান নির্বাহীর ফোন। বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজিদেরও এসব জেরার মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের সেই কর্মকর্তা। হান্নানও মনে করেন এবার আগের চেয়ে বেশি কড়াকড়ি হয়েছে সবকিছু। তবে এটাকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছে তার দল।
হান্নানের ভাষ্য, 'এবার অনেক কড়াকড়ি রয়েছে, এটা সত্য। এর আগে আমি ম্যানেজার বা সহকারী কোচ হিসেবে কাজ করেছি। তখন যেভাবে ডিল করা হতো, এবার একটু ভিন্নভাবে হচ্ছে। কড়াকড়ির ব্যাপারে আমরা সবাই ইতিবাচক এবং এটাকে প্রশংসা করা উচিত। যেটাই হবে সেটা প্রক্রিয়া এবং নিয়মের মধ্যে থাকা জরুরি।'