ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের অ্যাশেজ সিরিজ শেষ হওয়ায় ১৬ জানুয়ারি সিক্সার্সের সঙ্গে যোগ দিচ্ছেন স্টার্ক। সিডনি ডার্বি দিয়ে বিগ ব্যাশে প্রত্যাবর্তন করতে যাচ্ছেন বাঁহাতি এই পেসার। ২০১১-১২ মৌসুমে বিগ ব্যাশের উদ্বোধনী আসরেই খেলেছিলেন স্টার্ক। সেবার মাত্র ৬ ম্যাচ খেলে নিয়েছিলেন ১৩ উইকেট। পরের তিন আসরেও খেলেছেন সিডনির হয়ে।
যদিও তিন মৌসুমে চারটি বেশি ম্যাচ খেলেননি। বিগ ব্যাশের ক্যারিয়ারে ১০ ম্যাচ খেলে ২০ উইকেট নিয়েছেন স্টার্ক। পরিসংখ্যানটা একটু ভারী করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি। বাঁহাতি পেসারের পাশাপাশি বিগ ব্যাশের শেষাংশে অস্ট্রেলিয়ার আরও কয়েক জন টেস্ট ক্রিকেটার যুক্ত হচ্ছেন। ১০ জানুয়ারি থেকে পাওয়া যাবে ৯ ক্রিকেটারকে। ১৪ জানুয়ারি থেকে ব্রিসবেন হিটের হয়ে খেলবেন মাইকেল নেসার।
১০ জানুয়ারি থেকে বিগ ব্যাশে খেলবেন অ্যালেক্স ক্যারি (অ্যাডিলেড স্ট্রাইকার্স), ব্রেন্ডান ডগেট (মেলবোর্ন রেনেগেডস), জশ ইংলিস (পার্থ স্কচার্স), উসমান খাওয়াজা (ব্রিসবেন হিট), মার্নাস ল্যাবুশেন (ব্রিসবেন হিট), টড মারফি (সিডনি সিক্সার্স), স্টিভ স্মিথ (সিডনি সিক্সার্স), জেক ওয়েদার্যান্ড (হোবার্ট হারিকেন্স) এবং বেউ ওয়েবস্টার (হোবার্ট হারিকেন্স)।
অর্থাৎ বাংলাদেশের রিশাদ হোসেনের হোবার্টে যোগ দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার দুই ক্রিকেটার। অ্যাশেজজয়ী ওয়েদারল্যান্ডের সঙ্গে আছেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার ওয়েবস্টার। ফলে খানিকটা শক্তি বাড়তে যাচ্ছে তাদের। কারণ চোটের কারণে ছিটকে গেছেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা ব্যাটার টিম ডেভিড।
১১ জন ক্রিকেটার বিগ ব্যাশে যোগ দিলেও পাওয়া যাচ্ছে না ট্রাভিস হেড, ক্যামেরন গ্রিনদের। বল হাতে পুরো সিরিজে ১৫৯.৫ ওভার বোলিং করেছেন স্কট বোল্যান্ড। এমতাবস্থায় বিশ্রাম নিয়েছেন ডানহাতি এই পেসার। সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হেডও বিশ্বকাপের আগে বিশ্রাম নিয়েছেন। আবারও যাতে চোটে না পড়েন এজন্য খেলবেন না গ্রিনও।