১৫২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে পাওয়ার প্লে'তেই ৬১ রান তোলে রাজশাহী। মুহাম্মদ ওয়াসিমের ঝড়ো ইনিংসে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় দলটি। ২০ বলে ২১ রান করে মেহেদী হাসান রানার বলে বোল্ড হন তানজিদ হাসান তামিম।
তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্তও সুবিধা করতে পারেননি। মেহেদী হাসান রানার বলে খোঁচা মেরে উইকেটরক্ষক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনের মুঠোয় ক্যাচ দেন শান্ত। তিন বলে এক রান করা শান্তর ক্যাচটি অসাধারণ দক্ষতায় ধরেন অঙ্কন।
৬১ রানের মধ্যে দুই উইকেট হারায় রাজশাহী। তারপরও ব্যাটে-বলে ঝড় অব্যাহত থাকে ওয়াসিমের। ২৯ বলে ফিফটি করেন তিনি। ১২.২ ওভারে দলীয় শতরান পূরণ করে রাজশাহী।
দলীয় শতরান পূরণের পরই রান আউটে কাটা পড়েন ওয়াসিম। ফেরার আগে ৩৫ বলে চারটি করে চার-ছক্কায় ৬০ রান করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই ব্যাটার।
তারপর দলীয় ১১৬ রানে মুশফিকুর রহিমের উইকেট হারিয়ে আবার বিপাকে পড়ে রাজশাহী। ২২ বলে ১৯ রান করা মুশফিক ফেরেন হাসান মাহমুদের শর্ট বলে। সামনে এগিয়ে মারতে গিয়ে ব্যাটে-বলে এক করতে না পারায় উইকেটরক্ষক অঙ্কনকে ক্যাচ দেন তিনি।
১২৭ রানের মধ্যে ফিরে যান ইয়াসির আলী রাব্বিও। তিনি ৬ বলে ৯ রান করেন লং অনে ক্যাচ দিয়ে বিদায় দেন। তারপর রায়ান বার্লের ১৮ বলে ১৯ রানের ইনিংসে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রাজশাহী।
এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ছয় ওভারে কোনো উইকেট হারায়নি নোয়াখালী। বিনা উইকেটে ৪১ রান তোলে দলটি। ওপেনিং জুটিতে তোলে ৫৭ রান। ১২ ওভারের মধ্যে দলটি পৌঁছায় এক উইকেটে ৮৩ রানে। ৪০ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন সৌম্য। এরপর অবশ্য বেশীক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি।
হাসান মুরাদের লেগ স্টাম্প তাক করা শর্ট লেংথের আর্ম ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ দেন সৌম্য। ৪৩ বলে ছয়টি চার ও তিনটি ছক্কায় ৫৯ রান করেন তিনি। ইনিংসের ১৯তম ওভারে বিদায় নেন ২৬ বলে ৩৫ রান করা নবি। শেষ পর্যন্ত পাঁচ উইকেটে ১৫১ রান তোলে নোয়াখালী।