সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আম্পায়ার হিসেবে প্রতিনিয়ত নিজের উন্নতি করেছেন মুকুল। যার ফলও পেতে শুরু করেছেন আইসিসির বিভিন্ন টুর্নামেন্টে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে। ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো যুব বিশ্বকাপে আম্পায়ারিং করতে যাচ্ছেন তিনি। এর আগে ২০২০ ও ২০২৪ বিশ্বকাপে আম্পায়ার ছিলেন মুকুল। বেশ কয়েকটি বড় ম্যাচে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতাও আছে তাঁর।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে দুবাইয়ে হওয়া ভারত ও পাকিস্তানের এশিয়া কাপ ফাইনালে আম্পায়ার ছিলেন মুকুল। ২০২২ এশিয়া কাপেও গ্রুপ পর্ব ও সুপার ফোরের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন তিনি। আগামী যুব বিশ্বকাপেও বড় কিছু ম্যাচের দায়িত্বে দেখা যেতে পারে তাকে। মুকুলের পাশাপাশি টুর্নামেন্টটিতে যাচ্ছেন নিয়ামুর। ম্যাচ রেফারি হিসেবে কাজ করবেন তিনি।
বাংলাদেশের দুজনের বাইরে আরও ১২ দেশের ম্যাচ অফিসিয়ালরা আছেন টুর্নামেন্ট পরিচালনার দায়িত্বে। আম্পায়ার হিসেবে ভারত থেকে বীরেন্দর শর্মা ও পাকিস্তান থেকে আছেন ফয়সাল আফ্রিদি। ম্যাচ রেফারিতে পাকিস্তানের কেউ না থাকলেও ভারতের প্রকাশ ভাটকে রাখা হয়েছে। স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের আছেন দুজন।
আম্পায়ার্স— আহমদ শাহ দুরানি (আফগানিস্তান), আইডান সিভার (আয়ারল্যান্ড), কোরি ব্ল্যাক (নিউজিল্যান্ড), ডাইটন বাটলার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ফয়সাল আফ্রিদি (পাকিস্তান), ফোর্স্টার মুতিজওয়া (জিম্বাবুয়ে), গ্রাহাম লয়েড (ইংল্যান্ড), আইনো শাবি (জিম্বাবুয়ে), লুবাবালো গকুমা (সাউথ আফ্রিকা), মাসুদুর রহমান মুকুল (বাংলাদেশ), নিতিন বাথি (নেদারল্যান্ডস), প্রগীথ রাম্বুকওয়েলা (শ্রীলঙ্কা), রাসেল ওয়ারেন (ইংল্যান্ড), শন হাইগ (নিউজিল্যান্ড), শন ক্রেইগ (অস্ট্রেলিয়া), বীরেন্দর শর্মা (ভারত) এবং জাহিদ বাসরথ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
ম্যাচ রেফারি— ডিন কসকার (ইংল্যান্ড), গ্রায়েম লা ব্রয় (শ্রীলঙ্কা), নিয়ামুর রশিদ রাহুল (বাংলাদেশ) এবং প্রকাশ ভাট (ভারত)।